Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
বর্ধমানে আদিবাসী বধূর 'গণধর্ষণ করে খুন'-এর অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২, ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক তদন্ত

বর্ধমানে আদিবাসী বধূর 'গণধর্ষণ করে খুন'-এর অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২, ঘটনাস্থলে ফরেন্সিক তদন্ত

পূর্ব বর্ধমান (Purba Bardhaman)-এর দেওয়ানদিঘি (Dewandighi) থানার এলাকায় এক আদিবাসী বধূর রহস্যমৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার ভাইয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে গণধর্ষণ করে খুনের মামলা রুজু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে বুধবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফরেন্সিক (Forensic) বিশেষজ্ঞদের দল এবং গুরুত্বপূর্ণ নমুনা সংগ্রহ করে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তার হওয়া দুই অভিযুক্তের নাম শেখ আজিজুল (Sheikh Azizul) ও ভদাই শেখ (Bhodai Sheikh)। দু’জনেই দেওয়ানদিঘি থানার এলাকার বাসিন্দা। বুধবার ধৃতদের বর্ধমান (Bardhaman) আদালতে তোলা হয়। তদন্তকারীরা আদালতের কাছে তাঁদের হেফাজতের আবেদন জানান।

ঘটনাটি সামনে আসে মঙ্গলবার সকালে। বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে একটি ক্যানেলের ধারে জমির মধ্যে মুখ গুঁজে পড়ে থাকতে দেখা যায় ওই মহিলার দেহ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

মৃতার ভাইয়ের দাবি, প্রায় দেড় মাস ধরে তাঁর দিদি ও জামাইবাবু তাঁদের বাড়িতেই থাকছিলেন। সোমবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর আর ফেরেননি ওই মহিলা। রাতভর পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করলেও তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। পরদিন সকালে স্থানীয়দের কাছ থেকে ক্যানেলপাড়ে দেহ পড়ে থাকার খবর পান তাঁরা।

পরিবারের অভিযোগ, মৃতদেহের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন ছিল। সেই কারণেই মৃতার ভাইয়ের সন্দেহ, যৌন নির্যাতনের পর তাঁর দিদিকে খুন করা হয়েছে। তিনি স্থানীয় বাসিন্দা শেখ আজিজুল ও ভদাই শেখের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

মঙ্গলবার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার পর পুলিশের কাছে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়ে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গণধর্ষণ ও খুনের ধারায় মামলা রুজু করে দ্রুত অভিযানে নামে দেওয়ানদিঘি থানার পুলিশ। অল্প সময়ের মধ্যেই অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বুধবার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিভিন্ন আলামত ও নমুনা সংগ্রহ করে। তদন্তকারীদের আশা, ফরেন্সিক পরীক্ষার রিপোর্ট এবং ময়নাতদন্তের পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট হাতে এলে ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং মৃত্যুর পরিস্থিতি সম্পর্কে আরও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসবে।

এখন পুলিশ গোটা ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছে। তদন্তের স্বার্থে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, ময়নাতদন্তের চূড়ান্ত মতামত এবং অন্যান্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণের ভিত্তিতেই মামলার পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Najarbandi