Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
দিল্লির গ্রেটার কৈলাসের ভাড়া-বিতর্কে সৌরভ দাস, সোশ্যাল মিডিয়ার জল্পনার মাঝেই তদন্ত ও পাল্টা অভিযোগ

দিল্লির গ্রেটার কৈলাসের ভাড়া-বিতর্কে সৌরভ দাস, সোশ্যাল মিডিয়ার জল্পনার মাঝেই তদন্ত ও পাল্টা অভিযোগ

জরবন্দি ব্যুরো: রাজধানী দিল্লির গ্রেটার কৈলাস (Greater Kailash)-এ অবস্থিত একটি ভাড়া বাড়িকে ঘিরে নতুন করে আলোচনায় সিজেপি (CJP)-র মুখপাত্র সৌরভ দাস (Saurav Das)। বাড়ির ভাড়া এবং তাঁর আয়ের উৎস নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক জল্পনার পর বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবি উঠেছে। একই সময়ে, নিজের বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ এবং ভিডিও ধারণের অভিযোগ তুলে দিল্লি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন সৌরভ দাস।

প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দক্ষিণ দিল্লির গ্রেটার কৈলাসে অবস্থিত একটি বাড়িতে সৌরভ দাস দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকছেন। বাড়িটির মাসিক ভাড়া নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা দাবি সামনে আসে, যার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর আর্থিক সামর্থ্য ও আয়ের উৎস নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন বিভিন্ন ব্যক্তি ও রাজনৈতিক মহলের একাংশ। তবে এই দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সরকারি নিশ্চিতকরণ এখনও সামনে আসেনি।

এদিকে বুধবার সৌরভ দাস অভিযোগ করেন, কয়েকজন ইউটিউবার তাঁর ভাড়া নেওয়া বাড়িতে অনুমতি ছাড়া প্রবেশের চেষ্টা করেন এবং ভিডিও ধারণ করেন। তিনি এই ঘটনাকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার লঙ্ঘন বলে উল্লেখ করে গ্রেটার কৈলাস থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি দিল্লি পুলিশের নজরেও আনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

অন্যদিকে, কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, বাড়ির ভাড়া এবং সংশ্লিষ্ট আর্থিক বিষয় নিয়ে তদন্তকারী সংস্থাগুলি তথ্য সংগ্রহ করছে। তবে এই মুহূর্তে কোনও তদন্তকারী সংস্থা প্রকাশ্যে জানায়নি যে সৌরভ দাসের বিরুদ্ধে কোনও অপরাধমূলক অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে বা কোনও চার্জশিট দাখিল হয়েছে।

রাজনৈতিক মহলেও এই ঘটনাকে ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে বিরোধী শিবির আয়ের উৎস নিয়ে স্বচ্ছতার দাবি তুলছে, অন্যদিকে সিজেপি অভিযোগ করছে যে তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচার চালানো হচ্ছে। দলটি সম্প্রতি দিল্লিতে আন্দোলন ঘিরে পুলিশি আচরণের বিরুদ্ধেও প্রকাশ্যে অভিযোগ তুলেছিল।

বর্তমানে বিষয়টি অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং প্রাথমিক অনুসন্ধানের পর্যায়ে রয়েছে। তদন্তকারী সংস্থাগুলির আনুষ্ঠানিক রিপোর্ট বা আদালতের পর্যবেক্ষণ সামনে এলে তবেই অভিযোগগুলির আইনি ভিত্তি সম্পর্কে স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে। সেই কারণে এই মুহূর্তে কোনও পক্ষের দাবি চূড়ান্ত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা যাচ্ছে না।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Najarbandi