Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
ঝড়-বৃষ্টিতে বাংলায় ৭ জনের মৃত্যু, মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ঝড়-বৃষ্টিতে বাংলায় ৭ জনের মৃত্যু, মৃতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

দুপুরের পর আচমকা কালবৈশাখীর দাপটে তছনছ হয়ে গেল কলকাতা, সল্টলেক-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকা। প্রবল ঝড়, বজ্রপাত, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হওয়া এবং বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় অন্তত ৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে নবান্নে জরুরি সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

মৃতদের পরিবারের জন্য ৪ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার।

শুক্রবার বিকেলে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় আচমকা আবহাওয়ার পরিবর্তন ঘটে। প্রবল ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত এবং ভারী বৃষ্টিতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। কলকাতা ও বিধাননগর-সহ একাধিক এলাকায় গাছ উপড়ে যায়, বিদ্যুৎ পরিষেবা ব্যাহত হয় এবং রাস্তাঘাট ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী জানান, ঝড়-বৃষ্টি এবং বজ্রপাতজনিত বিভিন্ন ঘটনায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সাতজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। কোথাও বজ্রাঘাতে, কোথাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে, আবার কোথাও বাড়ি ভেঙে পড়ার ঘটনায় প্রাণহানি ঘটেছে।

মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, প্রত্যেক ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। দ্রুত এই অর্থ পৌঁছে দিতে জেলা প্রশাসন এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিনের দুর্যোগে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁদের চিকিৎসার সম্পূর্ণ দায়িত্ব রাজ্য সরকার বহন করবে। যদিও আহতদের জন্য ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট অঙ্ক এখনও ঘোষণা করা হয়নি।

সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া-সহ একাধিক জেলা থেকে ক্ষয়ক্ষতির খবর এসেছে। কলকাতা ও সল্টলেক এলাকাতেও ঝড়ের প্রভাব ছিল উল্লেখযোগ্য।

দুর্যোগের পরপরই উদ্ধার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তা থেকে উপড়ে পড়া গাছ সরানো, বিদ্যুৎ সংযোগ স্বাভাবিক করা এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলিতে জরুরি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে জোরকদমে।

মুখ্যমন্ত্রী জানান, পরিস্থিতির উপর প্রশাসন সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট সংগ্রহের কাজও শুরু হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আবহাওয়ার পরিস্থিতি এখনও পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।

কালবৈশাখীর এই আকস্মিক তাণ্ডব ফের মনে করিয়ে দিল, গ্রীষ্মের শেষে আবহাওয়ার চরম অনিশ্চয়তা কতটা ভয়াবহ হতে পারে। এখন ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত পুনর্বাসন এবং স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনাই প্রশাসনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Najarbandi