Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
কিশোরীদের জন্য বিনামূল্যে HPV টিকাকরণ শুরু, শুভেন্দুর হাত ধরে রাজ্যজুড়ে ৩ মাসের বিশেষ কর্মসূচি

কিশোরীদের জন্য বিনামূল্যে HPV টিকাকরণ শুরু, শুভেন্দুর হাত ধরে রাজ্যজুড়ে ৩ মাসের বিশেষ কর্মসূচি

কিশোরীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। জরায়ুমুখের ক্যান্সার প্রতিরোধে ১৪ বছর বয়সি মেয়েদের জন্য বিনামূল্যে HPV (হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস) টিকাকরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হল শনিবার। বিধাননগর মহকুমা হাসপাতালে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এবং একই সঙ্গে গোটা রাজ্যে টিকাকরণ অভিযান শুরু হওয়ার ঘোষণা করেন।

স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী তিন মাস ধরে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্র এবং টিকাকরণ কেন্দ্রে এই বিশেষ কর্মসূচি চলবে। মূল লক্ষ্য, ১৪ বছর বয়সি কিশোরীদের HPV সংক্রমণের বিরুদ্ধে সুরক্ষা প্রদান এবং ভবিষ্যতে জরায়ুমুখের ক্যান্সারের ঝুঁকি কমানো।

অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই মুখ্যমন্ত্রী রিমোটের মাধ্যমে রাজ্যব্যাপী টিকাকরণ কর্মসূচির সূচনা করেন। পাশাপাশি এসএসকেএম হাসপাতালে নবনির্মিত ১০০ শয্যার একটি ওয়ার্ডও উদ্বোধন করা হয়। প্রথম টিকা গ্রহণকারী দুই কিশোরীর হাতে সার্টিফিকেট তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

টিকাকরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের জন্য প্রত্যেক উপভোক্তার নাম U-WIN অ্যাপে নথিভুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এছাড়াও অভিভাবকের সম্মতি নিশ্চিত করতে ওটিপি-ভিত্তিক অনুমোদনের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৪ বছর বয়সি কিশোরীদের জন্য HPV টিকার দুটি ডোজ যথেষ্ট। প্রথম ডোজ নেওয়ার অন্তত ছয় মাস পর দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হবে। এই বয়সে টিকা নেওয়া হলে ভবিষ্যতে ভাইরাসজনিত জটিল রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস বা HPV বিশ্বের অন্যতম সাধারণ ভাইরাস সংক্রমণ, যা মূলত জরায়ুমুখের ক্যান্সারের প্রধান কারণ হিসেবে পরিচিত। এছাড়াও এই ভাইরাস থেকে যৌনাঙ্গ, গলা এবং শরীরের আরও কিছু অংশে ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে যৌনাঙ্গে আঁচিলের মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

এই প্রকল্পে ব্যবহৃত হচ্ছে গার্ডাসিল (Gardasil) টিকা। স্বাস্থ্য দফতরের দাবি, এই টিকা HPV-এর উচ্চঝুঁকির টাইপ ১৬ এবং ১৮-এর বিরুদ্ধে কার্যকর সুরক্ষা দেয়। পাশাপাশি টাইপ ৬ এবং ১১-এর বিরুদ্ধেও প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসনের মতে, কিশোরীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা জোরদার করাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। আগামী তিন মাসের মধ্যে রাজ্যের অধিকাংশ যোগ্য কিশোরীকে এই টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়েই শুরু হয়েছে বিশেষ অভিযান।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Najarbandi