Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
মহিলাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার কলকাতার তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডল

মহিলাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার কলকাতার তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডল

কলকাতা পুর রাজনীতিতে ফের চাঞ্চল্য। এক মহিলাকে মারধর, শ্লীলতাহানি এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হল ১১৪ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ মণ্ডলকে। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে আটক করে পুলিশ, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্ব পুঁটিয়ারির এক বাসিন্দা সম্প্রতি রিজেন্ট পার্ক থানায় বিশ্বজিৎ মণ্ডলের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগকারিণীর দাবি, ২০২৪ সালের ৬ মার্চ গঙ্গাপুরী স্কুল সংলগ্ন এলাকায় তাঁকে মারধর করা হয় এবং শ্লীলতাহানির শিকার হতে হয়।

মহিলার আরও অভিযোগ, চলতি বছরের ৯ মে ফের তাঁকে অশালীন ভাষায় অপমান করা হয় এবং প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়। দীর্ঘদিন ধরে চলা এই ঘটনার জেরে গত ১ জুন থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।

অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্তে নামে পুলিশ। প্রাথমিক অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বিশ্বজিৎ মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারীরা অভিযোগের বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনার সঙ্গে যুক্ত অন্যান্য তথ্য সংগ্রহ করছেন।

বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে তৃণমূলের একাধিক জনপ্রতিনিধি ও নেতার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের ঘটনা সামনে এসেছে। তোলাবাজি, হুমকি, দুর্নীতি এবং প্রভাব খাটানোর অভিযোগে একাধিক গ্রেপ্তারি ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

কলকাতা পুরসভাতেও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক কাউন্সিলর আইনি জটিলতায় জড়িয়েছেন। কয়েকদিন আগেই তোলাবাজির অভিযোগে ১০৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অরিজিৎ দাস ঠাকুর এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শচীন সিং গ্রেপ্তার হন। একইভাবে তোলাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন মহেশকুমার শর্মাও।

এর আগে ১২৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা ১৬ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সুদীপ পোল্লেকেও তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ফলে কলকাতা পুরসভার একের পর এক জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং গ্রেপ্তারি নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও তীব্র হয়েছে।

বিশ্বজিৎ মণ্ডলের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা আদালত ও তদন্ত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে স্পষ্ট হবে। তবে এই গ্রেপ্তারি কলকাতার পুর রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Najarbandi