Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
নিট আন্দোলনের পর নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি, 'ককরোচ জনতা পার্টি' কি রাজনীতিতে? অবস্থান স্পষ্ট করলেন অভিজিৎ দীপকে

নিট আন্দোলনের পর নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি, 'ককরোচ জনতা পার্টি' কি রাজনীতিতে? অবস্থান স্পষ্ট করলেন অভিজিৎ দীপকে

নিট-সহ বিভিন্ন শিক্ষা ইস্যুতে আন্দোলনের পর এবার নতুন কর্মসূচির প্রস্তুতি শুরু করেছে নিজেদের 'ককরোচ জনতা পার্টি (Cockroach Janata Party – CJP)' নামে পরিচয় দেওয়া ছাত্র সংগঠন। মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি শম্ভাজিনগর (Chhatrapati Sambhajinagar)-এ দু'দিনের বৈঠকে বসেছেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে (Abhijit Deepke) এবং অন্যান্য সদস্যরা।

ভবিষ্যতের কর্মসূচি, সংগঠনের বিস্তার এবং নতুন আন্দোলনের রূপরেখা নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হচ্ছে বলে জানা গেছে।

বৈঠকের ফাঁকেই অভিজিৎ দীপকে স্পষ্ট করেন, আপাতত তাঁদের লক্ষ্য সরাসরি নির্বাচনী রাজনীতিতে প্রবেশ করা নয়। বরং ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন দাবি এবং শিক্ষা সংক্রান্ত ইস্যুতে একটি 'প্রেশার গ্রুপ' হিসেবেই কাজ চালিয়ে যেতে চান তাঁরা। তাঁর কথায়, সংগঠনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে দেখার আগ্রহ যতটা বাইরে রয়েছে, বাস্তবে তাঁদের বর্তমান অগ্রাধিকার তা নয়।

নিট আন্দোলনের পর এবার নতুন ইস্যু হিসেবে ঝাড়খণ্ডের নিয়োগ ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাগুলিকে সামনে আনতে চাইছে সংগঠন। অভিযোগ, ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশন (Jharkhand Public Service Commission) এবং ঝাড়খণ্ড স্টাফ সিলেকশন কমিশন (Jharkhand Staff Selection Commission)-এর একাধিক পরীক্ষা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিতর্ক ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে। সেই দাবিকে কেন্দ্র করে রাজ্যের ছাত্রদের আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে পারে সিজেপি।

দীপকে জানান, দেশের যে প্রান্তেই ছাত্র-ছাত্রীরা নিজেদের অধিকার নিয়ে আন্দোলন করছেন, তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করবে সংগঠন। প্রয়োজন হলে ঝাড়খণ্ডেও প্রতিনিধি দল পাঠানোর বিষয়টি বৈঠকে আলোচনা করা হবে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

সংগঠনের লক্ষ্য শুধু একটি নির্দিষ্ট রাজ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা দেশে ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে সক্রিয় হওয়া। সেই কারণে দিল্লির বাইরে বিভিন্ন রাজ্যেও সাংগঠনিক উপস্থিতি বাড়ানোর পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে বলে বৈঠক সূত্রে জানা গেছে।

তবে সংগঠনের প্রথম দফার আন্দোলন এবং তার ফলাফল নিয়ে যে বিভিন্ন দাবি সামনে এসেছে, সেগুলির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলির পৃথক অবস্থানও রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে সিজেপি কী ধরনের আন্দোলনের পথ বেছে নেয় এবং আদৌ কোনও সময়ে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে কি না, সেটাই এখন দেখার।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Najarbandi