Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
শবরীমালা 'সোনা চুরি' কেলেঙ্কারি মামলায়,সিপিএম ও সিপিআই নেতাদের বিরুদ্ধে নতুনভাবে  মামলার নির্দেশ  আদালতের

শবরীমালা 'সোনা চুরি' কেলেঙ্কারি মামলায়,সিপিএম ও সিপিআই নেতাদের বিরুদ্ধে নতুনভাবে মামলার নির্দেশ আদালতের

News Bazar 24 1 week ago

Newsbazar24 desk:শবরীমালা সোনা চুরি কেলেঙ্কারিতে বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্টের (LDF) একাধিক হেভিওয়েট সিপিএম ও সিপিআই নেতার নাম জড়িয়েছে। কেরালা হাইকোর্টের নির্দেশে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দলের তদন্তে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে তদন্তে সাবেক ত্রাভাঙ্কোর দেবস্বম বোর্ডের (TDB) কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতার যোগাযোগ প্রকাশ্যে এসেছে।এই কেলেঙ্কারিটি বর্তমানে কেরালার রাজনীতিতে একটি বড়সড় বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

প্রধান অভিযুক্ত ও জড়িত হেভিওয়েট নেতৃবৃন্দ:

সিপিআই(এম) নেতা ও ত্রাভাঙ্কোর দেবস্বম বোর্ডের (TDB) সাবেক সভাপতি পিএস প্রশান্ত এবং টিডিবি-র সাবেক বোর্ড সদস্য এবং সি পি আই নেতা এ. আজিকুমারকে প্রশান্তের সাথে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সাবেক টিডিবি সভাপতি এবং সিপিআই(এম) এর পাঠানমথিট্টা জেলা কমিটির সদস্য এ পদ্ম কুমারকে এই চুরির কেলেঙ্কারিতে জড়িত থাকার অভিযোগে আগেই গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। বামফ্রন্ট সমর্থিত দেবস্বম বোর্ডের আরেকজন সাবেক সভাপতি এন বাসুর নামও এই সোনা চুরির মামলায় জড়িয়েছে। শবরীমালা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত কান্ডারারু রাজীবারু যাকে এই সোনা চুরি ও পাচার চক্রের অন্যতম পরিকল্পনাকারী হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়।

কেলেঙ্কারির মূল প্রেক্ষাপট ও অভিযোগমূর্তির সোনা উধাও:

২০১৯ সালে শবরীমালা মন্দিরের গর্ভগৃহের ('শ্রীকোভিল') দেওয়াল এবং 'দ্বারপালক' মূর্তির সোনা মেরামতের নাম করে খুলে ফেলা হয়। পরবর্তীতে আসল সোনার পাত সরিয়ে সেখানে তামার পাত লাগানোর অভিযোগ ওঠে। ২০২৫ সালে আদালতের কোনো অনুমতি ছাড়াই দ্বারপালক মূর্তি ও সোনার পাতগুলো চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারি সংস্থায় (স্মার্ট ক্রিয়েশনস) পাঠানো হয়।

প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা:

তদন্তকারী দল (SIT) আদালতকে জানিয়েছে যে, ২০১৯ সালের মূল সোনা চুরির ঘটনাটি ধামাচাপা দিতেই প্রশান্ত ও আজিকুমারের নেতৃত্বাধীন বোর্ড ২০২৫ সালে পুনরায় এই সোনার পাতগুলো চেন্নাইয়ে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিল। চেন্নাইয়ের কারখানায় আসল সোনার আবরণ সম্পূর্ণ গলিয়ে নেওয়া হয় এবং মূর্তিতে নামমাত্র সোনা ব্যবহার করে বাকি প্রায় ৪.৫ কেজি বা তার বেশি সোনা অভিযুক্তরা নিজেদের মধ্যে ভাগ বা বিক্রি করে দেয়।

ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়ন

হাইকোর্টের নির্দেশের পর, একদিকে যেমন বিরোধী দল কংগ্রেস এবং বিজেপি এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (CBI) তদন্তের দাবি জানিয়েছে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট এই ঘটনার সাথে যুক্ত অর্থ পাচারের দিকটি খতিয়ে দেখছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News Bazar 24