হরিশ মুখার্জী রোডের বাড়ি শান্তিনিকেতনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে না পেয়ে তাঁর কালীঘাট রোডের বাড়িতে গিয়ে তৃণমূল শীর্ষ নেতাকে নোটিস ধরাল সিআইডি। বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলাতেই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
এ দিন দুপুরে বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলার তদন্তের সূত্রে ১৮৮ এ, হরিশ মুখার্জী রোডের বাড়িতে পৌঁছয় সিআইডি এবং হেয়ার স্ট্রিট থানার একটি দল।
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে আইনি নোটিস দেওয়াই ছিল তাঁদের উদ্দেশ্য। যদিও সেই সময় হরিশ মুখার্জী রোডের বাড়িতে অভিষেক ছিলেন না।
এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই কালীঘাট রোডের বাড়িতে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সেখানেই তিনি দাবি করেন, 'আমি ওই বাড়িতে (শান্তিনিকেতন) থাকি না। আমার সঙ্গে দেখা করতে গেলে এই বাড়িতে আসতে হবে।'
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যের কয়েক মিনিটের মধ্যেই সিআইডি-র আধিকারিকরা শান্তিনিকেতনের সামনে থেকে বেরিয়ে কালীঘাট রোডে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে হাজির হন। সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে নোটিস ধরানোর জন্য অপেক্ষা করতে থাকেন সিআইডি কর্তারা। শেষ পর্যন্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নীচে নেমে এলে তাঁর হাতেই সেই নোটিস তুলে দেয় সিআইডি।
নোটিস নেওয়ার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'যাঁরা মামলার তদন্ত করছেন সেই অফিসাররা জানেন না সাত বছর ধরে আমি ওই বাড়িতে থাকি না। হয়তো ওনাদের কাছে ভুল তথ্য ছিল। আমিও বুঝি ওনাদের চাকরি করতে হয়। আমি এখনও নোটিস পড়িনি। নোটিস পড়ার পর আমার আইনজীবীর সঙ্গে আলোচনা করব। তার পর যদি মনে হয় এবং আমাকে যদি হাজিরা দিতে বলা হয়, তাহলে নিশ্চয়ই হাজিরা দেবো। আমি প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপও নেব। সেই অধিকার আমার আছে।'
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, 'এতদিন ইডি, সিবিআই ছিল, তার সঙ্গে এখন পুলিশ, পুরসভা যুক্ত হয়েছে। কিন্তু আমরা সেই ধাতুতে গড়া নয়। ক্ষমতা থাকলে গ্রেফতার করে নিয়ে যাক। আমি তো পালিয়ে যাচ্ছি না।'

