লোকসভা ভোটে হারতে হয়েছিল। বহরমপুর থেকে জিতে কি দ্বিতীয় বার রাজ্য বিধানসভায় ফিরতে পারবেন অধীররঞ্জন চৌধুরী? প্রাক্তন সাংসদের অবশ্য দাবি, ফল নিয়ে অযথা টেনশন করছেন না তিনি।
ভোটের ফল ঘোষণার আগের দিন বহরমপুরে অধীর বলেন, যা হচ্ছে হবে। হারি জিতি যা হয় হবে। মানুষ যাঁকে ভোট দেওয়ার দিয়ে দিয়েছেন।
বেশি ভেবে তো আমি ভোটের ফল বদলাতে পারব না। শুধু শুধু না ঘুমিয়ে, না খেয়ে টেনশন করে লাভ কি আছে? এসব নিয়ে কোনও টেনশন করার কারণ আছে বলে আমি মনে করি না। অপেক্ষা করুন, ফল যা হবে শুনে নেবেন।
২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বহরমপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের ইউসুফ পাঠানের কাছে পরাজিত হন অধীর। তার আগে টানা পাঁচ বার বহরমপুরের সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। ফলে বহরমপুরে বিধানসভা ভোটে লড়াই এবার অধীরের কাছে সম্মানের লড়াইও।
তবে এই প্রথম বার নয়, বহরমপুর থেকে নির্বাচিত হলে দ্বিতীয় বার রাজ্য বিধানসভায় যাবেন অধীর। এর আগে ১৯৯৬ সালে মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন অধীর। যদিও বিধায়ক হিসেবে মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই ১৯৯৯ সালে সাংসদ নির্বাচিত হন তিনি। ১৯৯১ সালে অবশ্য নবগ্রাম থেকেই বিধানসভা ভোটে পরাজিত হয়েছিলেন কংগ্রেস নেতা।
তবে ফলতায় নতুন করে ভোট করা নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন অধীর। তাঁর মতে, ভোট গণনার দিন পিছিয়ে দিয়ে আগে ফলতার পুনর্নির্বাচন করিয়ে নেওয়া উচিত ছিল কমিশনের।

