বহরমপুর: বহরমপুরে প্রচারে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়লেন প্রাক্তন সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী। বহরমপুরে বটতলা এলাকায় প্রচারের সময় যুব তৃণমূলের কর্মীদের মুখোমুখী হন অধীর রঞ্জন চৌধুরী। সেই সময় অধীর রঞ্জন চৌধুরীর সঙ্গে ছিলেন নিরাপত্তারক্ষীরাও। একই জায়গায় তৃণমূল এবং বিজেপির প্রচার হওয়ায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয় সেই এলাকায়, হাতাহাতি হয় দুই পক্ষের।
পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সেই এলাকায় পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। দুই পক্ষকেই সরিয়ে দেন পুলিশকর্মীরা।
একদা অধীর গড় হিসাবে পরিচিত মুর্শিদাবাদে ২০২৪ সালের লোকসভা নিরবাচনে ভাঙন ধরিয়েছিল তৃণমূল। অধীর চৌধুরীকে হারিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করেন ইউসুফ পাঠান। এবার বিধানসভা ভোটে প্রার্থী হয়েছেন অধীর। প্রায় তিন দশক পরে আবার বিধানসভার লড়াইয়ে অধীর চৌধুরী। এদিনের দুই পক্ষের হাতাহাতি প্রসঙ্গে তৃণমূল দাবি করেছে অধীরের নিরাপত্তারক্ষীরা তাদের কর্মীদের ধাক্কা দেওয়ায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পাশাপাশি অধীর চৌধুরী এই প্রসঙ্গে বলেন, "পিষে দিয়ে যাব এবার, তৃণমূল যদি চায় রক্তারক্তিই হবে"।
এই নিয়ে তৃতীয় বার বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন পাঁচ বারের সাংসদ অধীর। ১৯৯১ সালে প্রথমবার বিধানসভা ভোটে লড়েন তিনি। ১৯৯৬ সালে নবগ্রাম কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে প্রথম বার বিধায়ক হন অধীর। এর পর ১৯৯৯ সাল থেকে টানা পাঁচ বার বহরমপুরের সাংসদ হন অধীর চৌধুরী। বহরমপুরের মোট পাঁচবারের সাংসদ ছিলেন অধীর রঞ্জন চৌধুরী, গত বারের হারের পরে ফের জয়ে ফিরতে মরিয়া অধীর। অধীরের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছেন তৃণমূলের নাড়ু গোপাল মুখোপাধ্যায়।

