নয়াদিল্লি: বনতারা নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট নতুন একটি আবেদন খারিজ করে দিয়েছে । যেখানে বনতারা এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে বন্যপ্রাণী স্থানান্তর সংক্রান্ত বিষয়গুলো আবার 'রিওপেন' করার অনুরোধ করা হয়েছিল। শীর্ষ আদালত বলেছে, SIT-র দেওয়া আগের রিপোর্ট মেনে নেওয়ার পর এই বিষয়ে 'স্থায়ী এবং স্বীকৃত অধিকার' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার আদালত কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে, ভবিষ্যতে CITES (Convention on International Trade in Endangered Species of Wild Fauna and Flora) অনুযায়ী নিয়ম মানার ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে হবে।
বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং এনভি আনজারিয়ার বেঞ্চ ওই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে, যেখানে সিবিআই, Directorate of Revenue Intelligence (DRI), Wildlife Crime Control Bureau (WCCB) এবং এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-সহ বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে জামনগর-ভিত্তিক ওয়াইল্ডলাইফ ফ্যাসিলিটির সঙ্গে যুক্ত পশু অধিগ্রহণ ও স্থানান্তর নিয়ে নতুন করে তদন্তের দাবি করা হয়েছিল।
Karanartham Viramah Foundation-র দায়ের করা এই আবেদনটিতে ব্রাজিল, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, উগান্ডা, পেরু, মালয়েশিয়া এবং ভেনেজুয়েলা-সহ বিদেশি বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন ঘটনার উপর নির্ভর করা হয়েছিল । পাশাপাশি CITES Standing Committee-এর আলোচনাও উল্লেখ করা হয়েছিল।
তবে আদালত জানিয়েছে, আবেদনে উঠে আসা বিষয়গুলি ইতিমধ্যেই সুপ্রিম কোর্ট-নিযুক্ত বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) দ্বারা খতিয়ে দেখা হয়েছে এবং সেটার রিপোর্ট ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গ্রহণ করে আদালত এবং ২০২৬ সালের মার্চ মাসে তা পুনরায় নিশ্চিত করা হয়েছে।
অনন্ত আম্বানির বন্যপ্রাণী উদ্ধার ও পুনর্বাসন কেন্দ্র ঘিরে একাধিক অনিয়মের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে এর আগে দায়ের হয়েছিল জনস্বার্থ মামলা। গত ২৫ অগাস্ট সেই মামলায়, সর্বোচ্চ আদালতের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গড়ে দেয় আদালত। সিটকে বন্যপ্রাণ সংক্রান্ত আইনের পাশাপাশি আর্থিক লেনদেনের দিকটিও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। গত ১২ সেপ্টেম্বর রিপোর্ট জমা দিয়েছিল সিট। এরপর বিচারপতি পঙ্কজ মিত্তল ও পি বি ভারালের বেঞ্চ জানিয়েছিল, বনতারায় কোনও অনিয়ম পাওয়া যায়নি। রিপোর্টে গুজরাতের জামনগরের সংস্থাকে ক্লিনচিট দিয়েছিল সিট।

