কলকাতা: আরজি কর তদন্তে গতি বাড়াচ্ছে সিবিআই। তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ, খুনের ঘটনায় দিল্লি থেকে এবার কলকাতা আসছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার দুঁদে আধিকারিক। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, তদন্তে গতি আনতে দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্তকারী অফিসারের সঙ্গে নয়া এক আধিকারিক, দিল্লি থেকে এসে সমস্ত রকম সহযোগিতা করবেন।
নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরেই আরজি কর মামলার তদন্ত গতি পাবে এমনটাই কথা ছিল, সেই প্রত্যাশা পূরণে বদ্ধপরিকর প্রশাসন। এবার আরজি কর মামলায় চিকিৎসক খুন ধর্ষণের ঘটনায় তদন্ত প্রক্রিয়া আরও জোরাল হওয়ার জন্য এই পদক্ষেপ বলেই জানা যাচ্ছে। এতদিন এই তদন্তের দায়িত্বে ছিলেন ভিন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার সীমা পাহুজা, এবার দিল্লির আরও এক কঠোর আধিকারিককে সেই তদন্তের দায়িত্বে নিয়ে আসা হচ্ছে।
আরজি কর মামলার রায়ে সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। গত ১৯ মে কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি শম্পা সরকার এবং বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি শুরু হয়েছে। প্রথম দিনের শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিক সীমা পাহুজা। ওই দিন ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছিল, এই মামলায় কেন ফের সিবিআই তদন্ত দরকার তা খতিয়ে দেখা হবে। পাশাপাশি নির্যাতিতার পরিবারের অভিযোগগুলিও খতিয়ে দেখা হবে। পরের শুনানিতে তিন সদস্যের সিট গঠনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। সিবিআই-এর পূর্বাঞ্চলীয় যুগ্ম-অধিকর্তার নেতৃত্বে চলবে মামলার তদন্ত।
এদিকে, চিকিৎসক অভীক দে-র বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ভবন। তিনি কীভাবে স্নাতকোত্তর স্তরে ভর্তির সুযোগ পেয়েছিলেন, তা-ও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, এক চিকিৎসক বিরুপাক্ষ বিশ্বাসকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে স্বাস্থ্য দফতর। সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসেবে মেয়াদ পূরণ হওয়ার আগেই বরখাস্ত হওয়ায় তাঁকে চুক্তি অনুযায়ী ২০ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

