কলকাতা: অভিষেক বন্দোপাধ্যায় আক্রান্ত বলে শনিবার রাতে হাসপাতালেই সরব হন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও পাশে পাওয়া গেল না দলের একাধিক সাংসদ-বিধায়ক-সাংগঠনিক পদাধিকারীদের। এবার এই প্রসঙ্গে চরম কটাক্ষ শোনা গেল বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের গলায়।
তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর বিধায়কদের মধ্যে হাজির ছিলেন কুণাল, ফিরহাদ, শামিম।
অন্যদিকে সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়ান ও মালা রায় ছাড়া দেখা মেলেনি আর কোনও সাংসদের। ঘটনার নিন্দা করে সামাজিক মাধ্যমে সরব হয়েছেন হাতে গোনা কয়েকজন।
একদিকে I.N.D.I.A জোটের একাধিক নেতারা যখন তৃণমূলনেত্রীর পাশে দাঁড়িয়েছেন, ফোন করেছেন খোদ রাহুল গান্ধি, তখন নিজের দলেই পাশে নেই বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে তৃণমূল কংগ্রেসের পদাধিকারীরা। এই নিয়ে প্রশ্ন তুলে কুণালের তোপ, "দাদা, অনুগামী, বস, ভিডিও, সেলফি- এদের একাংশ আজ কোথায়?"
কুণাল তাঁর সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টে লেখেন, "অভিষেকের উপর হামলার প্রতিবাদে অন্য দলের জাতীয়স্তরের নেতাদের পোস্টও দেখলাম। কিন্তু আমাদের দলের বহু সাংসদ, বিধায়ক, কাউন্সিলর, পদাধিকারী, প্রাক্তন সরকারি পদাধিকারীদের পোস্ট নজরে পড়ল না। অথচ সরকারটা তৃণমূলের থাকলে এঁদেরই অনেকের বোলচাল অন্যরকম হত। কারা দলের মঞ্চ ভাঙিয়ে নিজের কাজ করে গেল, এখন বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে না। দাদা, অনুগামী, বস্, ভিডিও, সেলফি- এদের একাংশ কোথায়?"
যদিও শনিবার রাতে দলের বিধায়ক সাংসদদের বেশিরভাগ গরহাজির থাকলেও হাজির ছিলেন শোভন চট্টোপাধ্যায়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতৃসম খুব অল্প বয়সে কংগ্রেসের কাউন্সিলর হিসেবে রাজনৈতিক জীবন শুরু করা শোভন একসময় দলনেত্রীর ছায়াসঙ্গী হয়ে ওঠেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তাঁদের সম্পর্কে নানা চড়াই-উতরাই এলেও, মমতা-শোভন সমীকরণ অন্য স্তরের। সেই শোভনকে অবশ্য এদিন পুরো সময়ই দেখা গিয়েছিল নেত্রীর পাশে পাশে।

