আজকে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বঙ্গভবনে মধ্যাহ্নভোজ করলাম। নিজেদের বেশ কিছু সমস্যার কথা তাঁরা আমাকে জানাতে চেয়েছিলেন, সেগুলি শুনলাম। সাংসদ তহবিলের টাকা খরচ নিয়েও কথা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পরিদর্শনের পরই কড়া পদক্ষেপ। এক ধাক্কায় পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার ২৮টি বেআইনি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশ দিল স্বাস্থ্য দফতর।
অভিযোগ, প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই দিনের পর দিন রোগীদের পরিষেবা দিচ্ছিল এই ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলি। অভিযুক্ত এই ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলির সঙ্গে জেলার সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকদের একাংশেরও যোগসাজশ ছিল। এই ডায়গনস্টিক সেন্টারগুলি থেকেই রোগীদের বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে বাধ্য করা হত বলেও অভিযোগ।
গত সপ্তাহে পূর্ব মেদিনীপুরে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। হলদিয়া মহকুমা হাসপাতাল সহ বেশ কয়েকটি হাসপাতাল পরিদর্শন করেন তিনি। রোগীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তখনই মন্ত্রীর কাছে অভিযোগ আসে, সরকারি হাসপাতালের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক নির্দিষ্ট ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকেই পরীক্ষা নিরীক্ষা করানো জন্য রোগীর পরিবারকে চাপ দিচ্ছেন।
এই অভিযোগ পাওয়ার পরই কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। বেআইনি ভাবে চলা ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলির বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্যও জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তার পর আজই জেলা স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে নন্দীগ্রাম স্বাস্থ্য জেলার ২৮টি বেআইনি ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধের নির্দেশিকা জারি করেছে।
এ দিন কলকাতায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আগের সরকারের আমলে শো কজ নোটিস পাঠানো হত। তার পর আলোচনা হত। সেই আলোচনার সময়ই ফুল, মিষ্টি, খামের লেনদেন হত। কিন্তু এখন আর ওসব হবে না। আমি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছি, বেআইনি কারবার চললে আগে ঝাঁপ বন্ধ করতে হবে। তার পরে যা কথা হওয়ার হবে।

