Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Durgapur News: দূষণ রোধে তৈরি হয়েছিল প্রকৃতির স্বর্গরাজ্য, উদ্বোধনের পর থেকেই ঝুলছে তালা! আজ দুর্গাপুর নগর বনের করুণ দশা

Durgapur News: দূষণ রোধে তৈরি হয়েছিল প্রকৃতির স্বর্গরাজ্য, উদ্বোধনের পর থেকেই ঝুলছে তালা! আজ দুর্গাপুর নগর বনের করুণ দশা

দুর্গাপুর, পশ্চিম বর্ধমান: শহরের কোলাহল আর ধোঁয়া-ধুলোর মাঝে বুক ভরে নিঃশ্বাস নেওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিল এক টুকরো সবুজ স্বর্গ। সাড়ম্বরে উদ্বোধন করা হয়েছে। কিন্তু তারপর থেকে শুধুই জুটেছে অবহেলা আর অযত্ন। তার জেরে আজ জঙ্গল ও আগাছায় ভরে উঠেছে দুর্গাপুরের নগর বন। চারদিকের জগিং ট্র্যাক থেকে শুরু করে বসার চেয়ার, সবকিছুর ওপরেই আজ জমেছে শ্যাওলার পুরু আস্তরণ।

এখন নগর বনের ভিতরে থাকা বন্যপ্রাণীদের মডেলগুলিও চেনার উপায় নেই।

দীর্ঘদিন পরিষ্কার না থাকার ফলে সেগুলিও নষ্ট হতে বসেছে। অথচ, দেখভালের দায়িত্বে থাকা আরবান রিক্রিয়েশন ফরেস্ট্রি বিভাগের আধিকারিকরা এখানে কবে পা রেখেছিলেন, তা স্থানীয়রা কেউ মনে করতে পারছেন না। এতবড় একটি পরিবেশবান্ধব প্রকল্পের এহেন অবস্থা দেখে স্থানীয় মানুষজন ও পরিবেশপ্রেমীদের মন খারাপ। উল্লেখ্য, এই প্রকল্পের শুরু হয়েছিল ২০২০ সালে। কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ুমন্ত্রক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও দূষণ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে এই নগর বন প্রকল্প শুরু করে।

দুর্গাপুরের ক্ষুদিরাম সরণিতে রাজ্য সরকারের সার্কিট হাউসের ঠিক উল্টো দিকে গড়ে উঠেছিল এই চত্বর। একটা সময়ে যেখানে খোঁয়াড় ছিল, চারপাশের সেই প্রাকৃতিক গাছগাছালিকে বাঁচিয়েই তৈরি হয়েছিল এই সুন্দর পার্ক। ২০২৪ সালে এই জায়গার নাম দেওয়া হয় 'শ্রাবণ্য'। দুর্গাপুর পুরসভা নগর বনের চত্ত্বর আলো দিয়ে সাজিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু উদ্বোধনের পর থেকে আজ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের জন্য এই বনের দরজা একবারের জন্যও খোলা হয়নি বলে অভিযোগ।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

গেটে এখনও ঝোলানো আছে তালা। অন্যদিকে, অবহেলা আর অযত্নে এই নগর বন ধীরে ধীরে নষ্ট হতে বসেছে। পরিবেশবান্ধব এমন একটি জায়গার বেহাল দশা দেখে দায়িত্বপ্রাপ্ত দফতরের উদাসীনতাকে দায়ী করছেন মানুষজন। বনের অবস্থা দেখে শহরের বিশিষ্ট মানুষ এবং পরিবেশ কর্মীদের মন ভারাক্রান্ত হয়ে গিয়েছে। শহরের অধিকাংশ মানুষ বলছেন, এই জায়গা আবার নতুন করে সাজিয়ে তোলা হোক। তারপর সেটি খুলে দেওয়া হোক শহরবাসীর জন্য। তাহলে এই জায়গা আবার নিজের রূপ ফিরে পাবে। আর শিল্পাঞ্চলের মানুষ প্রকৃতির সান্নিধ্যে কিছুটা মনোরম সময় কাটানোর সুযোগ পাবেন।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News18 Bengali