ফের বিতর্কে অভিষেকের ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস। জোর করে দখল করে রাখার অভিযোগ মালিক পক্ষের। ২০২০ সালে ৯ নম্বর ক্যামাক স্ট্রিটের বাড়ির মালিকের সঙ্গে চুক্তি হয় তৃণমূল যুব কংগ্রেসের। বাড়ির মালিক রমা দেবী গোয়েঙ্কা, দাবী আইনজীবীর।
চুক্তি লিসে যে যে শর্ত ছিল তা মানা হয়নি বলে অভিযোগ মালিকের।
প্রভাব খাটিয়ে জোর করে দুটো ফ্লোর দখল করার অভিযোগ। মালিকের তরফ থেকে সিসির জন্য বারবার বলা হয়। অভিযোগ সিসি ছাড়ায় প্রভাব খাটিয়ে দখল করে রাখা হয়েছিল দুটো ফ্লোর। জেলবন্দি তৃণমূল নেতা দেবরাজ চক্রবর্তী সই করেন চুক্তিতে। বাড়ির মালিককে না জানিয়েই লাগান হয় বিল বোর্ড। তাঁরা আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বলে জানান।
প্রসঙ্গত ক্যামাক স্ট্রিটে বিল বোর্ড সরানো নিয়ে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বচসা বাঁধে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বাধা পেরিয়েই ভিতরে ঢুকে সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে যায় পুলিশ। উপস্থিত তৃণমূলকর্মীদের দাবি বলপ্রয়োগ করে ঢুকেছে পুলিশ। অন্যদিকে, পুলিশকর্মীদেরও অফিসের ভিতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে ছিলেন ডেরেক ও'ব্রায়েনও, আটকও করা হয় একজনকে। সবশেষে ক্যামাক স্ট্রিটের বিল্ডিংয়ের ছাদে উঠে তৃণমূলের হোর্ডিং খোলেন পুরসভার কর্মীরা।
এদিন পুলিশকে সঙ্গে নিয়েই ক্যাম্যাক স্ট্রিটের অফিসে আসেন কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা। অভিযোগ, অফিসে এবং তার বাইরে বহু বেআইনি হোডিং ব্যানার মজুদ করা রয়েছে। পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, কোনও নোটিস না দিয়ে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই অভিযান চালানো হয়েছে । এমনকি, গ্যাস কাটার কেন নিয়ে আসে পুরসভা, সেই নিয়েও অভিযোগ তোলে অভিষেক। ব্যাপক ধস্তাধস্তি হয় ঘটনাস্থলে। এবার জোর করে দখলের অভিযোগ উঠল।

