মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় জলপাইগুড়ি শহরের ১ নম্বর ওয়ার্ডের ইন্দিরা কলোনি এলাকায়। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ওই এলাকার একটি গ্যাস গো ডাউনে হানা দেয় পুলিশ। গো ডাউন থেকে ৫১৮টি খালি সিলিন্ডার বাজেয়াপ্ত করা হয়। জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ির মহকুমা শাসকের নির্দেশেই ওই অভিযান চালায় পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, রান্নার গ্যাসের যখন আকাল সেই সময় এত পরিমাণে খালি সিলিন্ডার কেন মজুত করে রাখা ছিল, তার কোনও ব্যাখ্যা দিতে পারেনি গো ডাউন কর্তৃপক্ষ। অভিযোগ, রান্নার গ্যাসের সঙ্কটের মধ্যেই এই বিপুল সংখ্যক খালি গ্যাস মজুত করে রেখে কালোবাজারি চালানো হচ্ছিল। অভিযোগ খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল এবং আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রান্নার গ্যাস সিলিন্ডারের সঙ্কটের অভিযোগ উঠেছে। কেন্দ্রীয় সরকার এবং রাষ্ট্রায়ত্ত্ব তেল সংস্থাগুলি অবশ্য দাবি করেছে, রান্নার গ্যাসের কোনও সঙ্কট দেশে নেই। মানুষ আতঙ্কিত হয়ে অস্বাভাবিক হারে বুকিং করার কারণেই সরবরাহে সমস্যা হচ্ছে।
অস্বাভাবিক এই বুকিংয়ের প্রবণতা আটকাতে ইতিমধ্যেই শহরাঞ্চলে দুটি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যে ২৫ দিনের ফারাক রাখার বিধি চালু হয়েছে। গ্রামাঞ্চলে এই ফারাক বাড়িয়ে ৪৫ দিন করা হয়েছে।

