Dailyhunt
কার গাফিলতিতে মমতার হেলিকপ্টারের সামনে ড্রোন, বিপদের সম্ভাবনা কতটা? মুখ খুললেন পাইলট শুভাগত জোয়ারদার

কার গাফিলতিতে মমতার হেলিকপ্টারের সামনে ড্রোন, বিপদের সম্ভাবনা কতটা? মুখ খুললেন পাইলট শুভাগত জোয়ারদার

মালদহের মালতীপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় ড্রোন চলে আসার ঘটনা অবশ্যই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ার মতোই ঘটনা। হেলিকপ্টারের সঙ্গে ড্রোনের সংঘর্ষ হলে তার থেকে বিপদও ঘটতে পারত। এমনই মত পাইলট শুভাগত জোয়ারদারের।

এই ধরনের ঘটনা আটকাতেই ভারতে ড্রোনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে নির্দিষ্ট আইন অথবা গাইডলাইন প্রয়োজন বলেও দাবি করেছেন শুভাগত বাবু।

এ দিনে মালতীপুরে হেলিকপ্টারের সামনে রহস্যময় ড্রোন চলে আসার পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'হেলিকপ্টার উড়তে গেলেই দুর্ঘটনা ঘটে ধ্বংস হয়ে যেত। কারা করছে এসব? পুলিশের এটা নজরে রাখা দরকার। কারা করেছে, খুঁজে বের করতে হবে।'

এই ঘটনা প্রসঙ্গে পাইলট শুভাগত জোয়ারদার বলেন, হেলিকপ্টারের সামনে ড্রোন চলে আসায় বিপদ হতে পারত কি না সেটা এখনই বলা সম্ভব নয়। যখন কোনও হেলিকপ্টার ওড়ে তখন এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের দায়িত্ব থাকে তার আশপাশের এয়ারস্পেসকে পরিষ্কার করা। আজকাল ড্রোনের ব্যবহার বেড়েছে। ফলে এই ধরনের ড্রোন যাতে হেলিকপ্টার বা বিমানের সামনে না আসে তা নিশ্চিত করাটা জরুরি।

এই ঘটনার পিছনে কারও গাফিলতি রয়েছে কি না, তাও এখনই নিশ্চিত ভাবে বলা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন শুভাগত বাবু। তিনি বলেন, এটা কোনও গাফিলতি কি না বলা সম্ভব নয়। কারণ ড্রোনকে কোন এয়ার স্পেসে উড়তে দেওয়া সম্ভব, সেগুলিকে কে নিয়ন্ত্রণ করবে, এই ধরনের ড্রোনের রেজিস্ট্রেশন করতে হবে কি না, সেগুলির চিহ্নিকরণ কীভাবে হবে, সে সম্পর্কে আমাদের দেশে কোনও নির্দিষ্ট আইন অথবা নিয়ম নেই। কিন্তু যে ঘটনা ঘটেছে তাতে উদ্বেগ ছড়ানো স্বাভাবিক।

তবে এই ঘটনায় যে বিপদের সম্ভাবনা ছিল, তা অস্বীকার করেনননি শুভাগতবাবু। তিনি বলেন, হেলিকপ্টারের সঙ্গে যদি এই ধরনের ড্রোনের সংঘর্ষ ঘটে তাহলে তো বিপদ হতেই পারে। সেই কারণেই ড্রোন ওড়ানো নিয়ে নির্দিষ্ট গাইডলাইন তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি। সর্বভারতীয় স্তরে এটা নিয়ে আলোচনাও প্রয়োজন। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন, যে কোনও ভিভিআইপি-র নিরাপত্তার ক্ষেত্রেই একই কথা প্রযোজ্য।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News18 Bengali