Dailyhunt
Mamata Banerjee: কালীঘাট থানার ওসি প্রচুর বেড়েছিল, এরকম যারা করেছে তাদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেব: মমতা

Mamata Banerjee: কালীঘাট থানার ওসি প্রচুর বেড়েছিল, এরকম যারা করেছে তাদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেব: মমতা

সাসপেন্ড হওয়া কালীঘাটের ওসি ইন্সপেক্টর গৌতম দাস-এর বিরুদ্ধে এবার সরব হলেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিতর্কিত ছবি পোস্ট করে সাসপেন্ড হওয়ার পর রীতিমত ক্ষোভপ্রকাশ করেন মমতা। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, "কালীঘাটের ওসি প্রচুর বেড়েছিল। মহিলারা রুখে দাঁড়িয়েছিল। আজ সে সাসপেন্ড হয়েছে।

এরকম যারা করেছে তাদের খুঁজে বের করে ব্যবস্থা নেব। আর যাদের বিরুদ্ধে অন্যায় ভাবে শাস্তি দিয়েছে আমাদের সরকার আসার পর দেখে নেব।"
প্রসঙ্গত, ২০০৮ -এর ব‍্যাচের অফিসার সাব ইন্সপেক্টর পদে নিয়োগ হয়েছিলেন তিনি। প্রথমে পোস্তা, আলিপুর, আনন্দপুর থানায় সাব ইন্সপেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন তিনি।

আনন্দপুর থানায় কাজ করার সময় তাঁকে কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সে পাঠানো হয়েছিল লালবাজারের তরফে। রিজার্ভ ফোর্সে থাকাকালীন রাজ ভবনে ডিউটি করতেন তিনি। সেই রিজার্ভ ফোর্সে থাকাকালীনই পদন্নোতি হয় তাঁর। প্রমোশন পান তিনি। সাব ইন্সপেক্টর থেকে ইন্সপেক্টর হন। তারপর বদলি হন স্পেশাল ব্রাঞ্চে।
প্রসঙ্গত, গত রবিবারই কালীঘাট থানার ওসি হিসেবে দায়িত্ব দেয় নির্বাচন কমিশন। আর এরপরেই ফেসবুকে ছবি দিয়ে বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন তিনি।
উল্লেখ্য, হাতে অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র হাতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি দিয়ে কমিশনের কোপে পড়েছেন কালীঘাট থানার ওসি গৌতম দাস। ছবিটি 'আপত্তিকর' বলে দাবি করে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ জানিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবিষয়ে ভারতের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল এবং কলকাতা পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকে চিঠি পাঠিয়েছিলেন তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। এবার সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে পদক্ষেপ করে কমিশন। কমিশনের রিপোর্ট তলব করার পরেই লালবাজারের তরফে জানানো হয়, কালীঘাটের ওসির পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে গৌতম দাসকে। সাসপেন্ডও করা হয়েছে। উল্টোডাঙা মহিলা থানার ওসি চামেলি মুখার্জিকে দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে কালীঘাটের।
কালীঘাট থানার ওসি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের করা অভিযোগ নিয়ে কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনার কে গোটা বিষয়টি দেখার নির্দেশ। কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দিলেন রাজ্যেক মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।
পাশাপাশি, কলকাতা পুলিশের সিপি-কেও রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে জয়প্রকাশ মজুমদার এই অভিযোগটি জানান নির্বাচন কমিশনে। তারপরেই কলকাতা পুলিশের সিপি-কে গোটা বিষয়টি দেখার নির্দেশ দেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News18 Bengali