Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Mark Zuckerberg Apologises: মেটায় শিশু নির্যাতনের আপত্তিকর কনটেন্ট ও ডিপফেক নিয়ে মোদি সরকারের কড়া অবস্থান, ক্ষমা চাইলেন মার্ক জুকারবার্গ

Mark Zuckerberg Apologises: মেটায় শিশু নির্যাতনের আপত্তিকর কনটেন্ট ও ডিপফেক নিয়ে মোদি সরকারের কড়া অবস্থান, ক্ষমা চাইলেন মার্ক জুকারবার্গ

লকাতা:মেটার বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত আপত্তিকর ছবি-ভিডিও (সিএসএএম), ডিপফেক কনটেন্ট এবং অন্যান্য ত্রুটি নিয়ে মেটা সিইও মার্ক জুকারবার্গ ক্ষমা চেয়েছেন বলে সূত্রের খবর। কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের সঙ্গে মেটা কর্তৃপক্ষের বৈঠকে এই বিষয়গুলি নিয়ে কড়া আলোচনা হয়।

সূত্রের খবর, এর পাশপাশির মোদির ভিডওর সরানোর বিষয়ে প্রযুক্তি-প্রক্রিয়ার ত্রুটির কথাও বলা হয়েছে।

সূত্রের দাবি, বৈঠকে মেটার প্রতিনিধিরা স্বীকার করেন যে নির্দিষ্ট ধরনের কনটেন্ট বেশি মানুষের কাছে পৌঁছে দিতে বা নির্দিষ্ট শ্রোতাদের লক্ষ্য করে প্রচারের জন্য বিপুল অর্থ খরচ করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ভুল বলে মেনে নিয়ে তারা দুঃখপ্রকাশও করেছেন। সূত্রের খবর, বিষয়টি নিয়ে মেটা কর্তৃপক্ষকে আবারও তলব করা হবে।

সরকার বৈঠকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, যদি কোনও প্ল্যাটফর্ম নিজেই ঠিক করে কোন ব্যবহারকারীর কাছে কোন কনটেন্ট পৌঁছবে, তাহলে ভারতের তথ্যপ্রযুক্তি আইনের অধীনে তাকে শুধুমাত্র 'মধ্যস্থতাকারী' (ইন্টারমিডিয়ারি) হিসেবে ধরা যাবে না। এছাড়াও সরকার মেটার 'সেফ হারবার' সুরক্ষা পাওয়ার যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে। সরকারের বক্তব্য, কোনও প্ল্যাটফর্ম যদি কনটেন্ট বাছাই ও বিতরণে সক্রিয় ভূমিকা নেয়, তাহলে তাকে আর নিষ্ক্রিয় মধ্যস্থতাকারী বলে দাবি করার সুযোগ নেই।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২৩ জুলাইয়ের ভিডিও সাময়িক ভাবে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে মেটার (Meta) সিইও মার্ক জুকারবার্গকে তিন দিনের মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আলটিমেটাম দিয়েছিল সংসদের যোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক স্থায়ী কমিটি। সূত্রের দাবি, তা না হলে ভারতে মেটার 'সেফ হারবার' (Safe Harbour) সুরক্ষা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হতে পারে।

একই সঙ্গে কমিটি সতর্ক করেছিল, গুগল, ইউটিউব, এক্স, ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাট-সহ সব বড় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মকে শিশুদের যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট (CSAM) এবং নারীদের বিরুদ্ধে অপরাধ-সংক্রান্ত বিষয়বস্তু নিয়ে ভারতের প্রচলিত আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।

কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব মেটা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে কড়া অবস্থান নেন বলে সূত্রের খবর। মেটার গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স প্রধান জোয়েল কাপলানের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভারতে এ ধরনের ঘটনা কোনওভাবেই মেনে নেওয়া হবে না।

সূত্রের দাবি, বৈঠকে অশ্বিনী বৈষ্ণব বলেন, "ভারত সরকার দেশের মানুষের সুরক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই পথে কোনও বাধাই গ্রহণযোগ্য নয়।" তিনি মেটার প্ল্যাটফর্মে বেআইনি ও ক্ষতিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে পড়া এবং ভারতীয় আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। পাশাপাশি, সংশ্লিষ্ট আইনের বিভিন্ন বিধান মেটা কর্তৃপক্ষের সামনে তুলে ধরেন। তবে সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে মেটার প্রতিনিধিরা সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি এবং ভারতের আইন মেনে তাদের প্ল্যাটফর্ম কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, তা ব্যাখ্যা করতেও প্রস্তুত ছিলেন না।

বৈঠকে শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত আপত্তিকর কনটেন্ট-সহ বেআইনি বিষয়বস্তু থেকে আয় করার অভিযোগেও মেটাকে তীব্র ভর্ৎসনা করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। সূত্রের দাবি, তিনি প্রশ্ন তোলেন, "শিশু নির্যাতনের মতো বেআইনি কনটেন্ট থেকে অর্থ উপার্জন করে কীভাবে আইনি সুরক্ষা দাবি করা যায়?" এছাড়া, প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই ধরনের কনটেন্ট আগেই কেন আটকানো হচ্ছে না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। সূত্রের খবর, বৈঠকে বৈষ্ণব বলেন, "এই ধরনের কনটেন্ট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করা লজ্জাজনক।"

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News18 Bengali