Dailyhunt
Mumbai Family Death Tragedy: 'সবুজ' হয়ে গিয়েছিল মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, অন্ত্র! তরমুজ নয়, মরফিনেই মুম্বইয়ের পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু! কীভাবে ঢুকল শরীরে? ঘনাচ্ছে রহস্য

Mumbai Family Death Tragedy: 'সবুজ' হয়ে গিয়েছিল মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড, অন্ত্র! তরমুজ নয়, মরফিনেই মুম্বইয়ের পরিবারের ৪ জনের মৃত্যু! কীভাবে ঢুকল শরীরে? ঘনাচ্ছে রহস্য

মুম্বইঃ মুম্বইয়ে একই পরিবারের চার সদস্যের বিরিয়ানির পরে তরমুজ খেয়ে রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় নাটকীয় মোড়। তদন্তকারীরা তরমুজ থেকে সৃষ্ট খাদ্যে বিষক্রিয়ার প্রাথমিক সন্দেহ থেকে সরে এসে এই মুহূর্তে সম্ভাব্য বিষাক্ত পদার্থ নিয়ে তদন্তে মনযোগী। পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর পরে প্রাথমিকভাবে তরমুজ খেয়ে বিষক্রিয়াই দায়ী মনে হওয়ায় আতঙ্ক তৈরি হয় মানুষের মনে, তার জেরে তরমুজের বিক্রি এক ধাক্কায় কমে যায়।

অনেক জায়গায় বাজারে তরমুজ বিক্রি প্রায় বন্ধ হওয়ায় মুখে দাঁড়ায়। তবে, বিশেষজ্ঞদের মতে, এই তত্ত্ব মোটেই সমর্থন যোগ্য নয়।

ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) জানিয়েছে, পরিবারের সদস্যরা যে তরমুজটি খেয়েছিলেন, তাতে কোনও ক্ষতিকর যৌগ পাওয়া যায়নি। ফলে সরাসরি ফল থেকে বিষক্রিয়ার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই বাতিল হয়ে গিয়েছে। এফডিএ কর্মকর্তারা বলেছেন, "তরমুজের রঙ, মিষ্টত্ব বা আকার বাড়ানোর জন্য এতে কোনও কৃত্রিম রঙ বা রাসায়নিক মেশানোর প্রমাণ মেলেনি।"

প্রসঙ্গত, ২৭ এপ্রিলের আবদুল্লা ডোকাদিয়া (৪০), তাঁর স্ত্রী নাসিম (৩৫), এবং দুই মেয়ে আয়েশা (১৬) ও জয়নাব (১৩) বাড়িতে বিরিয়ানি খান, তারপরে তরমুজও খান। আত্মীয়রা জানান, তরমুজ খাওয়ার কিছুক্ষণ পর থেকে চারজনই বমি করতে শুরু করে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সংজ্ঞা হারায়। তাঁদের অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও বাঁচানো সম্ভব হয়নি। তবে ময়না তদন্তের পরে তরমুজ থেকে বিষক্রিয়ার তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মৃতদের শরীরে মরফিনের উপস্থিতি বাড়িয়েছে সন্দেহ। ফরেনসিক পরীক্ষায় মৃতদের শরীরে তীব্র ব্যথানাশক মরফিনের উপস্থিতি খুঁজে পাওয়ায় তদন্তকারীরা সব দিক খতিয়ে দেখছেন।

সূত্রের খবর, মৃতদের শরীরে মরফিনের উপস্থিতি বিষাক্ত কিছু গ্রহণের সম্ভাবনার দিকে ইঙ্গিত করছে, যদিও এখনও মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত নয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মৃত চারজনের শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গ মস্তিষ্ক, হৃৎপিণ্ড এবং অন্ত্র, সবই সবুজ হয়ে গিয়েছিল, যা অত্যন্ত অস্বাভাবিক। তীব্র রাসায়নিক বা বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে এসেই এমন ঘটনা ঘটতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মরফিন কোথা থেকে এসেছিল এবং কীভাবে তা মৃত চারজনের শরীরে প্রবেশ করেছিল, পুলিশ এখন তা খতিয়ে দেখছে। একটি বিস্তারিত ফরেনসিক ল্যাবরেটরি (এফএসএল) রিপোর্ট এলে তবেই তা স্পষ্ট হবে। যদিও বিষক্রিয়াই তদন্তের একটি প্রধান দিক, তবে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে এমন ঘটল কিনা, কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News18 Bengali