কলকাতা: অনেকেই ওজন কমাতে তিসি বীজ বা ফ্ল্যাক্স সিড খান। এতে আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড, তবে অ্যামাইনো অ্যাসিড নেই। এই বীজে ক্যালোরির মাত্রা খুব কম, রয়েছে ফাইবারও।
এক টেবিল চামচ তিসির বীজে রয়েছে, মাত্র ৫৫ ক্যালোরি। ফাইবার রয়েছে ৩ গ্রাম। একজন প্রাপ্তবয়স্কর রোজ ৩০ গ্রামের মতো ফাইবার প্রয়োজন।
এর একটা অংশ আসতে পারে তিসির বীজ থেকে। আপনি যখন পর্যাপ্ত আঁশসমৃদ্ধ খাবার খাবেন, তখন ওজন নিয়ন্ত্রণ করা অনেকটাই সহজ হবে। খাবারে যদি পর্যাপ্ত ফাইবার থাকে, তাহলে খাবার হজম হতে সময় বেশি লাগে। তাই, ঝটপট ক্ষিধে পায় না। রক্তের সুগার চট করে বেড়েও যায় না। পর্যাপ্ত ফাইবার খেলে খাবার হজম হয় ঠিকঠাক। কোষ্টকাঠিন্য এড়ানো সহজ হয়। রক্তের খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে ফাইবার।
ফ্ল্যাক্স সিডে ফাইবার তো আছেই, আছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড-ও। অর্থাৎ, রক্তে ভাল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতেও এটি সাহায্য করে, হার্টের অসুখের ঝুঁকি কমায়।
এর আমিষও বেশ কাজে আসে। যেসব খাবার থেকে অ্যামাইনো অ্যাসিড পাওয়া যায়, সেসবের সঙ্গে যোগ করা হলে তিসির বীজের আমিষের গুণগত মান আরও বাড়ে।
গোটা নাকি গুঁড়ো করে খাবেন?
তিসির বীজের বাইরের আবরণ বেশ শক্ত। তাই গোটা তিসির বীজ সহজপাচ্য নয়। অর্থাৎ, গুঁড়ো করে খেলে বীজের ভেতরের সব পুষ্টি উপাদান সহজে দেহের কাজে লাগে।
তবে অভ্যাস না থাকলে কম পরিমাণ দিয়েই শুরু করুন। পরে ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়াতে পারবেন। । এটি দ্রবণীয় ফাইবার এবং ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডে ভরপুর, যা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে এবং মেটাবলিজম বাড়ায়। সেরা ফলাফলের জন্য, প্রতিদিন ১-২ টেবিল চামচ গুঁড়ো করা ফ্ল্যাক্স সিড দই, স্মুদি, বা সালাদে মিশিয়ে খান এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে জল খান। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজম প্রক্রিয়াকে ধীর করে এবং ক্ষিধে কমায়।
(Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে লেখা হয়েছে। উল্লিখিত দাবিগুলির স্বাধীনভাবে সত্যতা যাচাই করেনি নিউজ ১৮ বাংলা। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।)

