Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
Pak Module Busted: ৯ পাক-সমর্থিত জঙ্গি...দিল্লি, মুম্বই সহ ৫ শহরে হামলার ছক! পুণের 'ডন'-এর গ্রেফতারি কী ভাবে ভেস্তে দিল সব?

Pak Module Busted: ৯ পাক-সমর্থিত জঙ্গি...দিল্লি, মুম্বই সহ ৫ শহরে হামলার ছক! পুণের 'ডন'-এর গ্রেফতারি কী ভাবে ভেস্তে দিল সব?

নয়াদিল্লি:পুণে থেকে পাণ্ডা গ্রেফতার হতেই দেশের বড় বড় শহরে ছড়িয়ে থাকা পাক জঙ্গিদের চক্র ফাঁস করে ফেলল দিল্লি পুলিশ। জানা গিয়েছে, ভারতের দিল্লি, মুম্বই-সহ পাঁচ শহরে বড় ধরনের হামলার ছক কষেছিল জঙ্গিরা। শনিবার এক নেপালি নাগরিক সহ ৯ জনকে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ।

কীভাবে দিল্লি পুলিশ পাক-সমর্থিত আইএসআই-আন্ডারওয়ার্ল্ড জঙ্গি চক্রের পর্দাফাঁস করল? দিল্লি পুলিশ কীভাবে পাকিস্তান-সমর্থিত আইএসআই-আন্ডারওয়ার্ল্ড জঙ্গি চক্রের সন্ধান পেল দিল্লি পুলিশ। এরা দিল্লি, মুম্বই এবং আরও তিনটি শহরে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান বা ভবন, নিরাপত্তা সংস্থা ও পুলিশকর্মীদের ওপর হামলার পরিকল্পনা করছিল? পুণে থেকে কুখ্যাত শার্পশুটার বিজয় 'ডন'-কে গ্রেফতার করার পর এই তদন্তে প্রথম বড় সাফল্য আসে।

শনিবার দিল্লি পুলিশ এক নেপালি নাগরিকসহ আটজন সন্দেহভাজন সদস্যকে গ্রেফতার করে এবং আরও একজনকে আটক করে। পুলিশের দাবি, এই চক্রটি দিল্লি ও মুম্বইয়ে হামলার পরিকল্পনার শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, দিল্লির নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য এবং ধর্মীয় স্থানসমূহ। পুলিশের মতে, পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী গোয়েন্দা সংস্থা (আইএসআই) আন্ডারওয়ার্ল্ড নেটওয়ার্ককে কাজে লাগিয়ে এই হামলাগুলি ঘটানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিল।

তদন্তে প্রথম সাফল্য
প্রথম সাফল্য আসে কুখ্যাত শার্পশুটার বিজয় 'ডন'-কে পুণএে থেকে গ্রেফতারির মাধ্যমে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঝাড়খণ্ডের সাহেবগঞ্জ থেকে আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এই দুই ব্যক্তি সরাসরি পাকিস্তান-ভিত্তিক শাহজাদ ভাট্টির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল।

তদন্তে আরও জানা যায়, অস্ত্রের চালান ড্রোনের মাধ্যমে ভারতে পাচার করা হয়েছিল। পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই এবং 'ডি-কম্পানি' হামলার প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করছিল তা স্পষ্ট হয় এই তথ্যে।

জঙ্গি চক্রের কাঠামো
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, এই চক্রের চারজন মূল পরিচালক ছিল- মুন্না ঝিংগাড়া, দিলাওয়ার খান, শাহজাদ ভাট্টি এবং আমির জাট। এরা দিল্লির ছাতারপুর এলাকায় ভাড়া করা একটি ঘর থেকে কাজকর্ম নিয়ন্ত্রণ করত।

দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার পুলিশ কমিশনার অনিল শুক্লা বলেন, "এটি বিশেষ শাখা ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলির যৌথ অভিযান ছিল। তদন্তে জানা গেছে, গ্রেনেড ও অস্ত্র ড্রোনের মাধ্যমে ভারতে পাঠানো হয়েছিল। ১৭ তারিখে পুণে থেকে 'বিজয় শুটার' নামে পরিচিত এক অপরাধীকে গ্রেফতার করা হয়, এরপর নীতীশকে ধরা হয়। তদন্তের সূত্র ধরে মুম্বই থেকে তৌকির শেখ ও আরবাজ খানকে গ্রেফতার করা হয়। তারাও বিজয়ের পরিচালনাকারীর সঙ্গে যুক্ত ছিল। পরে মুজাফ্ফা ও ইয়াওয়ার খানের নাম সামনে আসে। এরা দুজনেই শাহজাদ ভাট্টি পরিচালিত আইএসআই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত।"

তিনি আরও জানান, বিস্ফোরক উদ্ধারের কারণে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইনের অধীনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এদের চারজন পরিচালকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।

পুলিশের দাবি, এরা ইতিমধ্যেই দিল্লিতে একটি দল গঠন করে সক্রিয় করেছিল। পঞ্জাবের তিনজনকে দিল্লি থেকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের কাছ থেকেও অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।

গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিরা, অস্ত্র ও গোলাবারুদ

গ্রেফতার হওয়া ৬৬ বছর বয়সি নেপালি নাগরিক মুন্না, অতীতে মুম্বইয়ে প্রকাশ নায়কের ওপর গুলি চালিয়েছিল। এছাড়া শাকিলের নির্দেশে সে ছোট রাজনের ওপর হামলার পরিকল্পনা করেছিল।
অভিযোগ অনুযায়ী, ২০০০ সালে ব্যাংককে দাউদ ইব্রাহিমের নির্দেশে ছোট রাজনের ওপর হামলা চালিয়েছিল মুন্না ঝিংগাড়া। পরে সে থাইল্যান্ডের কারাগারে ১৭ বছর বন্দি ছিল। এরপর 'সালিম' ছদ্মনাম ব্যবহার করে পাকিস্তানে পালিয়ে যায় এবং সেখান থেকেই কার্যক্রম পরিচালনা করতে থাকে।

তদন্তে জানা গেছে, সরকারি দফতর, উদ্যান এবং জনবহুল এলাকাগুলি সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তু ছিল। অভিযানে চারটি জীবন্ত গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে, যা পরে জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষী বাহিনীর বিশেষজ্ঞ দল নিষ্ক্রিয় করে। এছাড়া ২৫টি গুলিও উদ্ধার হয়েছে, যেগুলি পাকিস্তানি উৎসের বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে আরও কয়েকজন নেপালি নাগরিকের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News18 Bengali