পুণে: কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলায় বড়সড় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশি তদন্তে এমন একটি তথ্য উঠে এসেছে, যা অনেকের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। তদন্তকারীদের দাবি, কেতন আগরওয়ালের বাগদত্তা সিয়া গোয়েলের নাকি আগেই বিয়ে হয়ে গিয়েছিল। এই নতুন তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই মামলায় নতুন ও নাটকীয় মোড় এসেছে।
অভিযোগ, সিয়া গোয়েল তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে মিলে কেতন আগরওয়ালকে খুন করেন। লোনাভলার ঐতিহাসিক লোহাগড় দুর্গের কাছে পাহাড় থেকে ধাক্কা দিয়ে তাঁকে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ।
বিবাহিত ছিলেন সিয়া?
News18 Marathi-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, কেতন আগরওয়াল হত্যা মামলার তদন্তে পুনে পুলিশের হাতে এমন প্রমাণ এসেছে, যাতে জানা যায় অভিযুক্ত সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরী ইতিমধ্যেই বিবাহিত ছিলেন। পুলিশের দাবি, প্রায় চার মাস আগে তাঁরা পরিবারের অজান্তে গোপনে বিয়ে করেছিলেন। এই তথ্য নাকি তাঁদের মোবাইল ফোনে পাওয়া WhatsApp চ্যাট থেকেই সামনে এসেছে।
কী ছিল চ্যাটে?
তদন্তকারীদের মতে, ওই চ্যাট থেকেই গোপন বিয়ের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং গোটা তদন্তে নতুন মাত্রা যোগ হয়। অভিযোগ, গত ১৮ জুন লোহাগড় দুর্গ থেকে ধাক্কা দিয়ে কেতন আগরওয়ালকে খুন করা হয়। এই মামলায় ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল ও চেতন চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বর্তমানে তাঁরা বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।
WhatsApp চ্যাট ও ইন্টারনেট হিস্ট্রিতে কী মিলেছে?
প্রতিবেদন অনুযায়ী, পুলিশ অভিযুক্তদের ফোন থেকে উদ্ধার হওয়া কল রেকর্ড, লোকেশন ডেটা, WhatsApp চ্যাট এবং ইন্টারনেট সার্চ হিস্ট্রি খতিয়ে দেখে। গত ছয়-সাত মাসের ডিজিটাল তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্তকারীরা দাবি করেছেন, সিয়া ও চেতন চার মাস আগেই গোপনে বিয়ে করেছিলেন এবং পরিবারের ভয়ে বিষয়টি লুকিয়ে রেখেছিলেন।
'আমার সাহস হচ্ছে না, তুমিও এসো'- চেতনকে কী বার্তা দিয়েছিলেন সিয়া?
পুলিশের দাবি, কেতন আগরওয়ালকে হত্যার প্রথম চেষ্টা করা হয়েছিল ১৪ জুন। কিন্তু শেষ মুহূর্তে সিয়া গোয়েল পিছিয়ে যান এবং সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়। এরপর তিনি চেতন চৌধুরীকে একটি বার্তা পাঠিয়ে বলেন, 'আমার এটা করার সাহস হচ্ছে না, তুমিও এসো। আমরা দু'জনে মিলে ওকে পাহাড় থেকে ফেলে দেব।'

