বৃহস্পতিবার রাতে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে বিতর্কের পর শুক্রবার সকালে ফের স্ট্রং রুম পরিদর্শনে গেলেন বেলাঘাটার তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। দলনেত্রীর নির্দেশে এসেছেন বলে জানান কুণাল ঘোষ। তবে কমিশনের ভূমিকায় তৃণমূল যে খুব একটা খুশি নয়, তা কুণাল ঘোষের কথা থেকে স্পষ্ট। একইসঙ্গে বিজেপিকেও নিশানা করেন বেলেঘাটার তৃণমূল প্রার্থী।
বৃহস্পতিবার রাতে শ্যামপুকুর ও বেলেঘাটা কেন্দ্রের দুই তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা এবং কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের অনুপস্থিতিতেই বিজেপি এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা ইভিএম খোলার চেষ্টা করছেন। প্রতিবাদে ধরনাতেও বসেন তারা। যদিও রাতেই নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করা হয়।
শুক্রবার সকালে কুণাল ঘোষ বলেন,"বলছে পোস্টাল ব্যালট সেগ্রিগেকেশন হচ্ছে। যাই হোক স্ট্রংরুম এর মধ্যে কিছু লোক ঘোরাফেরা করছে আর ব্যালট এদিক ওদিক করছে এটা সিসিটিভির আওতায় থাকা উচিত। একটা অন্ধকার ঘুটঘুটে ঘর। এখানে নাকি বিদ্যুতের আলো দেওয়া যাবে না। ব্যাটারির আলোতে কিছু দেখা যাচ্ছে না তার মধ্যে কিভাবে বাছাই হচ্ছে কে জানে? শুনছি নাকি কলকাতা নয় তার বাইরের পোস্টাল ব্যালট ও এখানেই বাছাই চলবে। আজকেও বিকেলে আবার গাড়ি আসার কথা আছে।। আমাদের প্রতিনিধি থাকবে।"
এছাড়াও কুণাল ঘোষ বিজেপিকে তোপ দেগে বলেছেন,"কারচুপির চেষ্টা আমাদের আশঙ্কা। কাউকে কিছু না জানিয়ে ভেতরে লোক ঢুকিয়ে কাজ করছে। আমরা তার প্রতিবাদ করেছি এতে ইসির জ্বলন হয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করলে গায়ে জ্বলন হচ্ছে বিজেপির। ওদের তো চিন্তা নেই। কমিশন তো ওদের হয়েই কাজ করছে। কারচুপির আশঙ্কা ওদের নেই।" এছাড়া সরকারি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড হোল্ডার সাংবাদিক দের সিসিটিভির নজরদারি দেখতে দেওয়া উচিত বলেও দাবি জানিয়েছেন কুণাল ঘোষ।

