নয়াদিল্লি: দেশে বিধানসভা ভোটের দামামা বেজে গেল। অসম, কেরল এবং পুদুচেরিতে এক দফায় ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে আজ ৯ এপ্রিল। দুই রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচনের ভোটগ্রহণের আগে অসম, কেরল ও পুদুচেরির জনগণকে তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী মোদি।
মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে পর পর তিনটি পোস্ট দিয়ে তিন পৃথক অঞ্চলের জনগণকে বিপুল সংখ্যায় তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তাঁর ট্যুইট বার্তায়। অসমবাসীর কাছে ভোটদানের আহ্বান জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে রাজ্যের তরুণ ও মহিলা ভোটাররা উৎসাহের সঙ্গে অংশগ্রহণ করবেন এই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় এবং এই নির্বাচনকে গণতন্ত্র ও জনসেবার এক উৎসবে পরিণত করবেন।
পুদুচেরিতে বিধানসভা নির্বাচনের মুখে সেখানকার মানুষের কাছেও বার্তা দিয়েছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী তাঁর নির্বাচনী বার্তায় লিখেছেন, "আমি সকল ভোটারকে বিপুল সংখ্যায় এগিয়ে এসে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। বিশেষ করে, আমি আমাদের তরুণ এবং মহিলা ভোটারদের জন্য গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে চাই।"
একইসঙ্গে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কেরলের জনগণকে বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মোদি তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে। রেকর্ড সংখ্যক অংশগ্রহণ কেরলের গণতান্ত্রিক চেতনাকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আশা প্রকাশ করে মোদি লেখেন, "আমি বিশেষ করে রাজ্যের যুবক ও নারীদের এগিয়ে এসে বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।"
প্রসঙ্গত, অসমে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৭৫টি আসন পেয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিজেপির এনডিএ। অসম বিধানসভার ১২৬টি আসনের মধ্যে বিজেপি ৯৩টি আসনে লড়ে পেয়েছিল ৬০টি আসন। অন্য দিকে, কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন জোট পেয়েছিল ৫০টি আসন। এর মধ্যে কংগ্রেস পেয়েছিল ২৯টি আসন। ২০২১ সালের নির্বাচনে এনডিএ-র নেতৃত্বে ছিলেন সর্বানন্দ সোনওয়াল, এবার রয়েছেন হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। এবার ১২৬টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস লড়ছে ৮৯টি আসনে। অসম গণ পরিষদ লড়বে ২৬টি আসনে। অসম সম্মিলিত মোর্চার হয়ে কংগ্রেস লড়বে ৯৯টি আসনে।
অন্যদিকে, কেরল বিধানসভায় রয়েছে ১৪০টি আসন। ২০২১ সালের নির্বাচনে সিপিএমের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ জোট জিতেছিল ৯৯টি আসন। কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন জোট জেতে ৪১টি আসন। কেরলে সেবার খাতাই খুলতে পারেনি বিজেপির এনডিএ।

