কলকাতা: তৃণমূল ভবনের দখল নিল নব তৃণমূল। বাইপাসের ধারের অফিস হাতছাড়া হল কালীঘাট তৃণমূলের। তৃণমূল ভবনের কার্যালয়ে নতুন ব্যানার বসেছে, যেখানে চেয়ারপার্সন হিসাবে রয়েছে অরূপ রায়ের নাম, নেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম, ছবিও। ওই কার্যালয়ে হাজির হন ঋতব্রত, সন্দীপন, ফিরহাদ হাকিম এবং জাভেদ খানরা।
ওই কার্যালয়ে বৈঠকও করেন নব তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। সেখানে আখরুজ্জামান বলেন, "এই কার্যালয় থেকেই আমরা দলের সব কাজ করব"। এর আগে দলের প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছিল। এর আগে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনে দেখা করেছিল নব তৃণমূল। সেখানে প্রতীকের দাবিও জানানো হয়। সোমবার কালীঘাট তৃণমূল এবং নব তৃণমূল দুই পক্ষই বক্তব্য জানাতে পারে। তার আগেই নব তৃণমূলের এই প্রধান কার্যালয় দখলের ঘটনা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, বাইপাসের ওই বাড়িটির মালিকের সঙ্গে নব তৃণমূল কথাও বলেছে ওই বাড়িটিকে কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করতে।
এই নিয়ে দুই তৃণমূলকেই খোঁচা দিয়েছেন বিজেপি বিধায়ক কৌস্তভ বাগচী। তিনি বলেন, "ওদের ব্যক্তিগত বাড়ির বিষয় ওদেরকে মেটাতে দিন তবে তৃণমূল কংগ্রেসের পার্টি অফিসের বাইরে চটিচাটা তৃণমূল নাকি বালিশ চাটার জন্য মূল কি লেখা থাকবে সেটাই এখন দেখার। এখানে আজ একটা ভালো পরিবেশ শিক্ষণীয় ব্যাপার হচ্ছে কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজন চুরি ছাড়া কাজ নেই এই গানে বিশ্বাসী, তাই জন্য এখান দিয়ে চলে গিয়ে কি চুরি করা যায় সেটা দেখতেই ব্যস্ত। এখন আর বালি কয়লা মাটি চুরি করতে পারবে না তাই নিজেদের যা আছে সেটাই চুরি করতে চলে গেছে সব দল মিলে"।
তৃণমূল ভবনের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "খেলা শুরু করেছে ওরা শেষ করব আমরা। সব থেকে বড় নেমকহারাম হলেন ববি হাকিম। আইন শেষ কথা বলবে। হাওড়া,উলুবেড়িয়া কেন পেল না পার্টি অফিস? নির্বাচন কমিশনে বলেছে রাজডাঙ্গায় ওদের অফিস। কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে এসেছে"।

