Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
শ্যামবাজার মেট্রোর নাম বদল? বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের বাড়ি 'হেরিটেজ' করার প্রস্তাব দিয়ে কী জানালেন অগ্নিমিত্রা

শ্যামবাজার মেট্রোর নাম বদল? বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের বাড়ি 'হেরিটেজ' করার প্রস্তাব দিয়ে কী জানালেন অগ্নিমিত্রা

লকাতা: শ্যামবাজারে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের বাড়ি হেরিটেজ করার প্রস্তাব দিলেন রাজ্যের মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর কথায়, "বাঙালির কাছে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র একটা 'আবেগ'।" একইসঙ্গে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের শুভানুধ্যায়ী এবং পরিবারের তরফে দেওয়া শ্যামবাজার মেট্রোর নাম বদলে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের নামে করার প্রস্তাব নিয়ে বড় বার্তা দিলেন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী।

অগ্নিমিত্রা বলেন, "আমার প্রস্তাব এই বাড়িটিকে হেরিটেজ ঘোষণা করা হোক। পরিবারের তরফে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে শ্যামবাজার মেট্রো স্টেশনের নাম তাঁর নামে নামাঙ্কিত করা হোক। এবং আকাশবাণী যেহেতু তাঁর কর্মক্ষেত্র, সেই আকাশবাণী চত্বরে অথবা তার সামনে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের মূর্তি স্থাপন করা হোক। এই তিনটি প্রস্তাবই আমি মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রাখব।"

এতদিন শশী পাঁজার নেতৃত্বে এই অনুষ্ঠান কুক্ষিগত তৃণমূল কংগ্রেসের ছিল:
"বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র তো শুধু তৃণমূল কংগ্রেসের নয়। শুধুমাত্র প্রাক্তন বিধায়িকার নন বা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নয়। তিনি তো বাঙালির আবেগ। এখানে রাজনীতি টেনে আনা এটা শুধু বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র নয় কিশোর কুমার বলুন আর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে তো ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও হয়েছিল। এটা খুবই দুঃখজনক ঘটনা। আমার মনে হয় আমরা যারা রাজনীতিতে আসি একটু উদার হওয়ার প্রয়োজন পেটি পলিটিক্সে না থেকে। রাজনীতিতে মনটা একটু বড় করা দরকার। আমার অবাক লাগে এই ধরনের কুক্ষিগত করার প্রবণতায়।"

রক্ত দুর্নীতি? সেখানেও তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের নাম!

"আমরা প্রচারে বলতাম প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাড়িতে রক্তের দাগ আছে। সত্যিই কি রক্তের দাগ আছে? ভাবাই যায় না যে অতিরিক্ত রক্ত প্লাজমা বিক্রি করা থেকে অর্গান বিক্রি! একটা সরকার টাকার জন্য এতটা নামতে পারে? টুলু মণ্ডল বালি থেকে মেদিনীপুরে পাথর, গাছ জল বোল্ডার এখনও কিছু বাকি নেই কিন্তু রক্তটা ও ছাড়লেন না প্লাজমাটাও ছাড়লেন না অর্গানগুলোও ছাড়লেন না।"

৪) শশী পাঁজাও কি কাকলিদের দলে?

কে কোথায় যাচ্ছে কোথায় আসছে আমি সত্যিই ইন্টারেস্টেড নই। আমরা যারা মুখ্যমন্ত্রীর টিমে আছি তিনি টিম লিডার সারাদিন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলছি কোথায় কী উন্নয়ন করা যায়, কোথায় ফ্লাইওভার করা যায়, ২০২৭ এর মধ্যে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টটা করতে হবে রাজ্যে জুড়ে। কাজের চাপে মাথা তোলা যাচ্ছে না। কে অন্য দলে যাচ্ছে, কে নতুন দল করছে, কে আবার নতুন লোগো ডিজাইন করছে এতে আমাদের কোনও সময় নেই।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News18 Bengali