নয়াদিল্লি:সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আপাতত স্বস্তিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের আপ্ত সহায়ক তথা পিএ সুমিত রায়কে শর্তসাপেক্ষে রক্ষাকবচ দিল সর্বোচ্চ আদালতের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। তবে, বেঞ্চের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে সুমিত রায়কে।
পশ্চিমবঙ্গের তরফে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানান, গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে সুমিত রায়কে।
এমনকি, পূর্বতন মুখ্যমন্ত্রীর সুমিত রায়ের গ্রেফতারিতে বাধা দেওয়ার বিষয়টিও আদালতের নজরে আনেন তিনি।
'প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বাধা দিয়েছেন'
প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত বলেন, আশাকরি, পুলিশই মূল সমস্যার কারণ, সেটা আপনি বলতে চাইছেন না? উত্তরে তুষার মেহতা জানান, ''যখনই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করতে যাওয়া হয়েছে, তখনই বাধা দেওয়া হয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নিজেই বাধা দিয়েছেন।''
সব শুনে সর্বোচ্চ আদালত নির্দেশ দেয়, আবেদনকারী তদন্তে সবরকমের সহায়তা করবে এবং তাঁর গ্রেফতারির উপরে আপাতত স্থগিতাদেশ থাকবে।
জমি-দুর্নীতি মামলায় যে কোনও মুহূর্তে গ্রেফতারির আশঙ্কা ছিল অভিষেকের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়ের। এই আশঙ্কায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবারই দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ ছিল এই মামলার শুনানি।
এর আগে জমি-দুর্নীতি মামলাতেই আগাম রক্ষাকবচ চেয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সুমিত। গত সোমবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ তাঁর আগাম জামিনের আর্জি খারিজ করে দেন। তবে চাকরি-দুর্নীতির একটি মামলায় শর্তসাপেক্ষে সুমিতের আগাম জামিন মঞ্জুর করেন বিচারপতি।
হাইকোর্টে আবেদন খারিজ হয়
হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, চাকরি-দুর্নীতি মামলায় ১০ দিনের মধ্যে তদন্তকারী সংস্থার অফিসারের কাছে হাজিরা দিতে হবে সুমিতকে। পরে যদি তদন্তকারীরা আবার ডাকেন, তবে তখনও হাজিরা দিতে হবে। সুমিতের আশঙ্কা, এই মামলায় হাজিরা দিতে গেলে জমি-দুর্নীতি মামলার সূত্রে তাঁকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছিল।

