দিল্লিতে বঙ্গ ভবনে এ দিন দুপুরেই তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর সেই বৈঠকেই আলাদা করে ৫ জন সাংসদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী যে ৫ জন সাংসদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন তাঁরা হলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, শর্মিলা সরকার, জগদীপ বসুনিয়া এবং জুন মালিয়া।
তবে কী নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বললেন, তা নিয়ে এই ৫ সাংসদের কেউই মুখ খোলেননি।
বঙ্গ ভবনের বৈঠকে কী নিয়ে আলোচনা?
এ দিন দুপুরে দিল্লির বঙ্গ ভবনে যে বৈঠক হয়েছে, সেখানে মূলত এনসিপিআই সাংসদরা নিজেদের এলাকার সমস্যার কথাই মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। ঘর ছাড়া কর্মীদের ঘরে ফেরানো, এলাকায় কাজ করতে গিয়ে প্রশাসনিক সহযোগিতা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে দরবার করেছেন এনসিপিআই সাংসদরা। শুধু তাই নয়, বেশ কয়েকজন সাংসদ লিখিত ভাবে নিজেদের এলাকার সমস্যার কথা মুখ্যমন্ত্রীকে জানিয়েছেন। জানা গিয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মুখ্যমন্ত্রী এনসিপিআই সাংসদদের সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। ঘরছাড়াদের ঘরে ফেরাতেও পদক্ষেপের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।
মুর্শিদাবাদের তিন সাংসদও শুভেন্দুর বৈঠকে
এ দিন সকালে এনডিএ-এর বৈঠকে যোগ দেননি মুর্শিদাবাদ থেকে নির্বাচিত তিন সাংসদ আবু তাহের, খলিলুর রহমান এবং ইউসুফ পাঠান। যদিও দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বৈঠকে হাজির ছিলেন ওই তিন জন সাংসদই। মুর্শিদাবাদের সাংসদ আবু তাহের খান স্পষ্ট জানান, তাঁরা এনডিএ-তেও নেই, বিজেপি-র সঙ্গেও নেই।
কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
এ দিনের বৈঠকের শেষে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, 'আজকে এনসিপিআই সাংসদদের সঙ্গে বঙ্গভবনে মধ্যাহ্নভোজ করলাম। নিজেদের বেশ কিছু সমস্যার কথা তাঁরা আমাকে জানাতে চেয়েছিলেন, সেগুলি শুনলাম। সাংসদ তহবিলের টাকা খরচ নিয়েও কথা হয়েছে।'

