Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
তৃণমূল ভবনে টান টান নাটক! ঋতব্রতরা বেরোনোর পরেই হাজির কুণাল ঘোষ ও কালীঘাট-পন্থী নেতারা

তৃণমূল ভবনে টান টান নাটক! ঋতব্রতরা বেরোনোর পরেই হাজির কুণাল ঘোষ ও কালীঘাট-পন্থী নেতারা

লকাতা: তৃণমূলে নাটকীয় মোড়। এবার তৃণমূল ভবন ঘিরে ফেলল আধা সেনা এবং পুলিশ। কুণাল ঘোষ, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়রা হাজির হন প্রগতি ময়দান থানায়। সেখানে তাঁরা দাবি জানান ওই তৃণমূল ভবনে যেন অন্য কেউ হাজির হতে না পারেন।

সন্ধেয় তৃণমূল ভবনের দখল নেয় নব তৃণমূল। সেখানে হাজির ছিলেন ফিরহাদ হাকিম, জাভেদ খান, ঋতব্রত-সহ নেতারা।

কিন্তু ঋতব্রত বেরোনোর সময়েই সেখানে হাজির হন কুণাল ঘোষ।

তৃণমূল ভবনের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "খেলা শুরু করেছে ওরা শেষ করব আমরা। সব থেকে বড় নেমকহারাম হলেন ববি হাকিম। আইন শেষ কথা বলবে। হাওড়া,উলুবেড়িয়া কেন পেল না পার্টি অফিস? নির্বাচন কমিশনে বলেছে রাজডাঙ্গায় ওদের অফিস। কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে এসেছে"।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে পরিকল্পনা করেই এদিন তৃণমূল ভবনে গিয়েছিলেন নব তৃণমূলের নেতারা। এতে সোমবার তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে নিজেদের দাবি জানাতে বাড়তি সুবিধা পেতে পারে নব তৃণমূল। এই কার্যালয়কে তারা নিজেদের কার্যালয় দেখাতে পারেন। ঋতব্রতরা বেরোনোর সময় ওই বাড়ির সদরে তালাও দিয়ে দেওয়া হয়।

ওই কার্যালয়ে বৈঠকও করেন নব তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। সেখানে আখরুজ্জামান বলেন, "এই কার্যালয় থেকেই আমরা দলের সব কাজ করব"। এর আগে দলের প্রতীক নিয়ে দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছিল। এর আগে দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনে দেখা করেছিল নব তৃণমূল। সেখানে প্রতীকের দাবিও জানানো হয়। সোমবার কালীঘাট তৃণমূল এবং নব তৃণমূল দুই পক্ষই বক্তব্য জানাতে পারে। তার আগেই নব তৃণমূলের এই প্রধান কার্যালয় দখলের ঘটনা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, বাইপাসের ওই বাড়িটির মালিকের সঙ্গে নব তৃণমূল কথাও বলেছে ওই বাড়িটিকে কার্যালয় হিসাবে ব্যবহার করতে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News18 Bengali