Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
US Might Strike Iran Again Tonight: বুধবার রাতেই ইরানে ফের হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, 'প্রয়োজনে বিদ্যুৎকেন্দ্র, জল পরিকাঠামোও ধ্বংস করব' যুদ্ধবিরতি বাতিলের পরেই বিরাট হুঁশিয়ারি

US Might Strike Iran Again Tonight: বুধবার রাতেই ইরানে ফের হামলার ইঙ্গিত ট্রাম্পের, 'প্রয়োজনে বিদ্যুৎকেন্দ্র, জল পরিকাঠামোও ধ্বংস করব' যুদ্ধবিরতি বাতিলের পরেই বিরাট হুঁশিয়ারি

য়াশিংটন: ইরানের সঙ্গে হওয়া অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ বলে ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ফের কড়া বার্তা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বুধবার ন্যাটো সম্মেলনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজনে বুধবার রাতেই ইরানের বিরুদ্ধে নতুন করে সামরিক হামলা চালাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।

একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হলে ইরানের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র, জল পরিকাঠামো এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও নিশানায় আসতে পারে।

তুরস্কের আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করেন, হরমুজ প্রণালীতে (Strait of Hormuz) বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলা দুই দেশের মধ্যে হওয়া অস্থায়ী সমঝোতার স্পষ্ট লঙ্ঘন। তাঁর কথায়, "ইরান যা করছে, তাতে আমি মোটেও খুশি নই। বিষয়টি শাসন পরিবর্তনের নয়। আমরা শুধু চাই না ইরান পরমাণু অস্ত্রের অধিকারী হোক। আমাদের চুক্তি ছিল, ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করবে, না হলে আমরা তা নিজেরাই থামাব।" ট্রাম্প আরও দাবি করেন, গত রাতে মার্কিন বাহিনী ইরানের ২৮টি নৌকা ধ্বংস করেছে। প্রয়োজনে বুধবার রাতেও একই ধরনের অভিযান চালানো হবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। তাঁর ভাষায়, "প্রয়োজন হলে আমরা বিদ্যুৎকেন্দ্র ও জল সরবরাহ ব্যবস্থা ধ্বংস করব। যদিও আমি তা করতে চাই না।"

শুধু তাই নয়, ইরানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল রফতানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ (Kharg Island) নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই দ্বীপ থেকেই ইরানের অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল রফতানি হয়। ট্রাম্প বলেন, "আমরা এখনও সর্বোচ্চ মাত্রায় হামলা চালাইনি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য হতে পারে সেতু, বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। প্রয়োজনে সেগুলোকেও ধ্বংস করা হবে। গত রাতে আমরা খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছি এবং এর একটি অংশ ক্ষতিগ্রস্ত করেছি। আমি তেল স্থাপনায় হামলা করতে বারণ করেছি, কারণ ভবিষ্যতে আমরা খার্গ দ্বীপের নিয়ন্ত্রণও নিতে পারি। সেটা ঠেকানোর ক্ষমতা ইরানের নেই।"

বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালীতে ইরানের সাম্প্রতিক হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে ফের উত্তেজনা চরমে উঠেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত তেল পরিবহণ হয়। ফলে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার, তেলের দাম এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় প্রভাব পড়তে পারে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: News18 Bengali