কলকাতাঃ শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে আঁটোসাঁটো পুলিশি নিরাপত্তা। যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে সামনের রাস্তার। গোটা রাস্তায় (লর্ড সিনহা রোড) নো পার্কিং বোর্ড রয়েছে। রাস্তার এন্ট্রি-এক্সিট পয়েন্টে পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। অতিরিক্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী আনা হল। লর্ড সিনহা রোড ধরে মার্চ করানো হচ্ছে ফোর্সকে।
ভোটপর্ব শেষ হতেই এবার স্ট্রংরুম ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার দুই গণনাকেন্দ্রকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের ধর্না-বিক্ষোভ এবং বিজেপির পাল্টা জমায়েতে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রথমে ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রে তৃণমূলের কুণাল ঘোষ ও শশী পাঁজার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি প্রার্থী তাপস রায় ও সন্তোষ পাঠক। পরে দক্ষিণ কলকাতার সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে একই পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বন্দরের প্রার্থী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ (ববি) হাকিম উপস্থিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার রাতে স্ট্রং-রুমের বাইরে প্রায় চার ঘণ্টারও বেশি সময় বসেছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শাখাওয়াত মেমোরিয়ালের বাইরেই বসেছিলেন মমতা। রাত ১২ টার পর গণনাকেন্দ্র ছাড়লেন তিনি। তাঁর গাড়ি বেরোতেই 'জয় বাংলা' স্লোগান দেয় তৃণমূলকর্মী সমর্থকরা। পাল্টা 'জয় শ্রীরাম' স্লোগান দিতে শুরু করেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। সূত্রের খবর, মমতার গাড়ি বেরিয়ে যাওয়ারও পরও কিছুক্ষণ চলছে স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগান ঘিরে উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে মাইকিং করে পুলিশ। এলাকা ফাঁকা করতে এবং জমায়েত সরাতে মাইকিং পুলিশের।

