নয়াদিল্লি : আইসিসি মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্য আরও একবার প্রমাণিত হলো। রবিবার (৫ জুলাই) লন্ডনের লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ৭ উইকেটে হারিয়ে সপ্তমবারের মতো টি-২০ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতেছে অস্ট্রেলিয়া মহিলা ক্রিকেট দল।
এই টুর্নামেন্টে অস্ট্রেলিয়ার দাপট কতটা ছিল, তা বোঝা যায় একটি পরিসংখ্যান থেকেই।
গত পাঁচটি আসরের মধ্যে চারবারই মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের ট্রফি নিজেদের দখলে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
২০২৬ সালের মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনালে প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড ১৫০ রানের সংগ্রহ গড়ে তোলে। জবাবে সোফি মলিনিউক্স-এর নেতৃত্বাধীন অস্ট্রেলিয়া মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে সহজেই লক্ষ্য তাড়া করে দুর্দান্ত জয় তুলে নেয়।
ফাইনালে ব্যাটার বেথ মুনি দুরন্ত ব্যাটিং করে অর্ধশতরান করেন। তিনি ৪৯ বলে ৬৪ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। অন্যদিকে, তরুণ তারকা ফিবি লিচফিল্ড ৪৮ রানের কার্যকরী ইনিংস উপহার দেন। এই দু'জনের মধ্যে গড়ে ওঠা ১০০ রানের জুটিই ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
এই নিয়ে ঘরের মাঠে দ্বিতীয়বার স্বপ্নভঙ্গ ইংরেজদের-
নিজেদের ঘরের মাঠে দ্বিতীয়বারের মতো মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে গেল ইংল্যান্ডের। ক্রিকেটের 'মক্কা' খ্যাত লর্ডসে পুরো ম্যাচজুড়েই অস্ট্রেলিয়ার আধিপত্য দেখা যায়।
অস্ট্রেলিয়াকে রেকর্ড সপ্তমবারের মতো মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপ জেতাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন অভিজ্ঞ ব্যাটার বেথ মুনি। তিনি ১০টি চারের সাহায্যে ৪৯ বলে ৬৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। শেষদিকে এলিস পেরি (অপরাজিত ১৩) এবং অ্যাশলি গার্ডনার (অপরাজিত ৩) ক্রিজে থেকে দলকে সহজেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন।
ন্যাট সিভার-ব্রান্টের অর্ধশতকও কাজে এল না
লর্ডসে অনুষ্ঠিত ফাইনালে টসে জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক সোফি মলিনিউক্স। শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। দলীয় ৩২ রানেই তারা হারায় দুই উইকেট।
এরপর অধিনায়ক ন্যাট সিভার-ব্রান্ট আবারও ইনিংসের হাল ধরেন। তিনি ৫৩ বলে অপরাজিত ৫৮ রানের লড়াকু ইনিংস খেলে ইংল্যান্ডকে ১৫০ রানে পৌঁছে দেন।
তবে জবাবে বেথ মুনি ও ফিবি লিচফিল্ড-এর ১০০ রানের জুটি ম্যাচ পুরোপুরি অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। শেষ পর্যন্ত মাত্র ৩ উইকেট হারিয়ে সহজেই লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে অস্ট্রেলিয়া এবং রেকর্ড সপ্তমবারের মতো মহিলা টি-২০ বিশ্বকাপের শিরোপা জিতে নেয়।

