কলকাতা: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক নিখিল দাসের উপর জাতিগত নির্যাতন, হেনস্থা এবং খুনের হুমকির অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং কলকাতা পুলিশের পুলিশ কমিশনারের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে জাতীয় তপশিলি জাতি কমিশন।
গত ২২ অগস্ট নিখিল দাসের করা অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে কমিশন।
অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশ প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় তথ্য ও পদক্ষেপের রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। নিখিল দাসের অভিযোগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে তাঁকে জাতিগতভাবে হেনস্থা করা, নির্যাতন এবং খুনের হুমকি দেওয়ার মতো গুরুতর অভিযোগ তোলা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই বিষয়টি খতিয়ে দেখছে জাতীয় তপশিলি জাতি কমিশন। এখন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং কলকাতা পুলিশের তদন্ত ও পদক্ষেপের রিপোর্টের দিকেই নজর রয়েছে।
অন্যদিকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় ১৯ ও ২০ অগাস্টের ঘটনায় এবার 'বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন' গঠন করল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তদন্ত কমিটির সদস্য কারা হলেন তা প্রকাশ্যে আনল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তিন সদস্যের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, নির্দেশ উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে যাদবপুর-কাণ্ডের তদন্ত, খতিয়ে দেখা হবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ক্যাম্পাসে দু'দিনের অপ্রীতিকর ঘটনা। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে গত ১৯ ও ২০ অগাস্ট, ২০২৬-এর ঘটনায় তদন্তে বড় পদক্ষেপ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের। ওই দু'দিন মূল ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া 'untoward incidents' বা অপ্রীতিকর ঘটনাগুলির তদন্তে এই বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে বলে ২৬ অগাস্টের সার্কুলারে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়।

