Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

Fact Check: এটা কি CJP আন্দোলনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রেফতার করার দৃশ্য? জানুন সত্যতা

Claim

দিল্লির যন্তরমন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) আন্দোলনের পরে পুলিশ ও বিজেপি সদস্যরা ছাত্র-ছাত্রীদের খুঁজে খুঁজে গ্রেফতার করছে এমন এক দাবি সহ একটি ভিডিও বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে প্রচার করা হচ্ছে।

Screengrab from Facebook by @deshbangla26

ভিডিওসহ দাবিটি এখানে দেখুন।

Fact

ভিডিওটির শুরুতে কয়েকজনকে জ্যাকেট পরিহিত অবস্থায় দেখা যায়, যা থেকে আমাদের সন্দেহ হয় যে ভিডিওটি আদৌ বর্তমান সময়ের কি না।

 Screengrab from facebook by @deshbangla26

ভাইরাল ভিডিয়োর কি-ফ্রেমের রিভার্স ইমেজ সার্চে দেখা যায় যে, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখ, একটি X অ্যাকাউন্টে একই

পোস্ট করা হয়। পোস্টটিতে দাবি করা হয়ে, ইউজিসির (UGC) নতুন বিধিমালার বিরোধিতায় আন্দোলনরত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের থানায় নিয়ে গিয়ে দিল্লি পুলিশের সামনেই অশালীন ভাষায় হেনস্তা করা হয়।

 Screengrab from X by @AshrafFem

তথ্যের সূত্র ধরে আরো খুঁজে দেখা যায় মাকতুব সংবাদমাধ্যমের ১৬ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এ ঘটনার উল্লেখ রয়েছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্দোলনস্থলে সংঘর্ষের পর অভিযোগ জানাতে দিল্লির মরিস নগর থানায় গেলে সেখানে জড়ো হওয়া বামপন্থী জনতা নারী কর্মীদের ধর্ষণ ও হত্যার হুমকি দেয় এবং কয়েক ঘণ্টা তাদের থানার ভেতরে আটকে রাখার পর পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে অভিযোগ নথিভুক্ত করে।

 Screengrab from Maktoob media

দা হিন্দুর একটি ফেব্রুয়ারী মাসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্টস ফ্যাকাল্টিতে ইউজিসির (UGC) জাতিভিত্তিক বৈষম্যবিরোধী নতুন বিধিমালার সমর্থনে আয়োজিত এআইএসএ (AISA)-এর বিক্ষোভ চলাকালে ইউটিউবার রুচি তিওয়ারি ও তাঁর সহযোগীদের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ বাধে। উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলা, শ্লীলতাহানি, হুমকি ও উসকানিমূলক আচরণের অভিযোগ এনে মরিস নগর থানায় পৃথক এফআইআর দায়ের করে। AISA-এর অভিযোগ, তিওয়ারি জাতিবিদ্বেষমূলক মন্তব্য করেন এবং পরে থানার ভেতরেও নারী কর্মীদের অশালীন ভাষায় হেনস্তা করা হয়। অন্যদিকে তিওয়ারির অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা তাঁকে মারধর, শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণের হুমকি দিয়েছেন। ঘটনার তদন্তে পুলিশ উভয় পক্ষকে তলব করেছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে ঘটনার প্রকৃত ক্রম নির্ধারণের চেষ্টা করা হয়।

এখান থেকে প্রমাণিত হয় যে, ভাইরাল ভিডিওটি ফেব্রুয়ারি মাসের একটি ঘটনার এবং সিজেপির (CJP) আন্দোলনকারী ছাত্র-ছাত্রীদের গ্রেপ্তারের নয়। ফলে পোস্টটির দাবি বিভ্রান্তিকর।

Sources
X post by
Report by Maktoob media
Report by The Hindu

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Newschecker.in Bangla