Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

বাংলার স্কুল ছাত্রীরা পাবে ২৫ হাজার টাকা, নয়া স্কিম পশ্চিমবঙ্গ সরকারের

Newzshort 2 weeks ago

বিরাট চমক পশ্চিমবঙ্গ সরকারের (Government of West Bengal)। ক্ষমতায় আসার পর থেকে বাংলায় একের পর এক সংস্কারমূলক কাজ করেই চলেছে সরকার। তবে এবার আরও বড় চমক দিয়েছে এই সরকার। বদলে ফেলা হল বেশ কিছু জনপ্রিয় প্রকল্পের নাম। সুবিধা অবশ্য একই থাকছে। তৃণমূল আমলের কন্যাশ্রী এবং সবুজ সাথী স্কিমের নাম বদল করেছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন সরকার।

নতুন কী নাম রাখা হল তাহলে? চলুন জেনে নেবেন।

কন্যাশ্রীর নাম বদলে হল 'কন্যারত্ন'

পশ্চিমবঙ্গ সরকার পূর্ববর্তী তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে চালু হওয়া রাজ্যের দুটি সুপরিচিত জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের নতুন নাম ঘোষণা করেছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘কন্যাশ্রী’-র নাম এখন থেকে হবে ‘কন্যারত্ন’ (Kanyaratna Scheme) এবং ‘সবুজ সাথী’-র নাম পরিবর্তন করে ‘সারথি’ রাখা হবে। বুধবার নবান্নে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী জনগণকে এও আশ্বাস দেন যে, শুধুমাত্র নাম পরিবর্তন করা হলেও প্রকল্পগুলির সুবিধাগুলি অপরিবর্তিত থাকবে। তবে আজ বিশেষভাবে কথা হবে কন্যারত্ন স্কিম নিয়ে। এই প্রকল্পে কি আগের থেকে আরও বেশি সুবিধা মিলবে নাকি একই থাকবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।

মুখ্যমন্ত্রীর মতে, কন্যাশ্রী প্রকল্পটি এখন থেকে কন্যারত্ন নামে পরিচিত হবে এবং সবুজ সাথী প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করে সারথি রাখা হয়েছে। প্রতি বছর ১৪ই আগস্ট অনুষ্ঠিত বার্ষিক উদযাপন, যা পূর্বে কন্যাশ্রী দিবস হিসেবে পালিত হতো, তা অব্যাহত থাকবে কিন্তু এখন থেকে এটি কন্যারত্ন দিবস হিসেবে উদযাপিত হবে। সরকার স্পষ্ট করেছে যে, সুবিধাভোগীরা উভয় প্রকল্পের অধীনেই আগের মতোই সহায়তা পেতে থাকবেন। মুখ্যমন্ত্রী ইঙ্গিত দিয়েছেন যে কন্যারত্ন প্রকল্পের আওতায় উপলব্ধ আর্থিক সহায়তায় কোনো হ্রাস করা হবে না। পরিবর্তনগুলির বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে একটি আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই প্রকাশিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

কী কী সুবিধা পাবে মেয়েরা?

'কন্যারত্ন' প্রকল্পের লক্ষ্য হল ছাত্রীদের উচ্চশিক্ষায় উৎসাহিত করা এবং বাল্যবিবাহ রোধ করা। এই প্রকল্পে তিন ধাপে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। K1-এর আওতায় অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ১৩–১৮ বছর বয়সি ছাত্রীদের বছরে ১,০০০ টাকা বৃত্তি দেওয়া হয়। K2-এ ১৮ বছর পূর্ণ হওয়ার পর অবিবাহিত ছাত্রীদের এককালীন ২৫,০০০ টাকার অনুদান দেওয়া হয়। আর K3-এর মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর স্তরে বিজ্ঞান, কলা ও বাণিজ্য বিভাগের মেধাবী ছাত্রীদের আর্থিক সহায়তা করা হয়, যাতে অর্থের অভাবে তাঁদের পড়াশোনা বন্ধ না হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ২০১৩ সালে কন্যাশ্রী প্রকল্প চালু করেন। স্কুল থেকে ঝরে পড়া কমানো, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ এবং মেয়েদের শিক্ষায় সহায়তা করার প্রচেষ্টার জন্য এই কর্মসূচিটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে। এই প্রকল্পের আওতায় ১৩ থেকে ১৮ বছর বয়সী যোগ্য মেয়েরা বার্ষিক ১,০০০ টাকা অনুদান পেত। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী অবিবাহিত মেয়েরা এককালীন ২৫,০০০ টাকার আর্থিক সহায়তার জন্য যোগ্য ছিল। কলা ও বিজ্ঞানের স্নাতকোত্তর ছাত্রীদেরও অতিরিক্ত সহায়তা প্রদান করা হত।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Newzshort