Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story

বারাণসী-শিলিগুড়ি হাই-স্পিড রেল করিডোরে বড় আপডেট! শীঘ্রই ছুটবে ট্রেন?

Newzshort 2 weeks ago

ত সময় এগোচ্ছে ততই বুলেট ট্রেন নিয়ে অপেক্ষা বাড়ছে দেশবাসীর। মুম্বাই-আহমেদবাদ রুটে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন ছুটবে। তারইসঙ্গে পাইপলাইনে রয়েছে আরও ৭টি বুলেট ট্রেন প্রকল্প। এর মধ্যে রয়েছে বারাণসী-শিলিগুড়ি রুটের হাইস্পিড রেল করিডর (Varanasi-Siliguri high-speed rail corridor) যেটা নিয়েও এখন বিশেষ করে অপেক্ষা বাড়ছে বাংলার মানুষ।

এই লাইনে হাইস্পিড ট্রেন পরিষেবা শুরু হয়ে গেলে যাত্রাপথের সময় যে এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যাবে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। যদিও এখন এই রুটে পরিষেবা নিয়ে বেশ কিছু প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক।

বারাণসী-শিলিগুড়ি বুলেট ট্রেন প্রকল্পে নয়া আপডেট

বিহারের ভোজপুর জেলা এবং আরা-উদ্বন্তনগরের বাসিন্দাদের মধ্যে বারাণসী-শিলিগুড়ি হাই-স্পিড রেল করিডোরটি একটি গভীর আগ্রহের বিষয়। সংসদে আরার সাংসদ সুদামা প্রসাদের করা একটি প্রশ্নের জবাবে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে করিডোরের পথ, আরা বা উদ্বন্তনগরে স্টেশন তৈরির সম্ভাবনা এবং জমি অধিগ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

নজরে ডিপিআর

এই উচ্চাভিলাষী রেল প্রকল্পের বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট (ডিপিআর) বর্তমানে প্রস্তুত করা হচ্ছে। রেলমন্ত্রীর মতে, ডিপিআর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরেই রুট ম্যাপিং, মোট ব্যয়, স্টেশনের অবস্থান এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পুনর্বাসন চূড়ান্ত করা হবে। চলতি সংসদ অধিবেশনে সাংসদ সুদামা প্রসাদ সরকারের কাছে জানতে চেয়েছেন যে, দ্রুতগতির রেললাইনটি ভোজপুর জেলার ওপর দিয়ে যাবে কি না এবং স্থানীয়ভাবে কোনো স্টেশন নির্মাণ করা হবে কি না। তিনি সমীক্ষা, বাজেট এবং ভূমি অধিগ্রহণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন।

রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব স্পষ্ট করেছেন যে, ২০২৬-২৭ সালের কেন্দ্রীয় বাজেটে ঘোষিত সাতটি নতুন হাই-স্পিড রেল করিডোরের মধ্যে বারাণসী-শিলিগুড়ি রুটটি অন্যতম। বর্তমানে এই প্রকল্পের নকশা নির্ধারণ, জমি জরিপ এবং সম্ভাব্য ব্যয় পুনঃমূল্যায়নের কাজ চলছে। রেল মন্ত্রক জানিয়েছে যে, দ্রুতগতির রেল প্রকল্পের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অবকাঠামোগত বাজেট প্রয়োজন হয়। তাই, যেকোনো রুট বা স্টেশনের চূড়ান্ত অনুমোদন প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের ওপর ভিত্তি করে দেওয়া হয়। ডিপিআর চূড়ান্ত হওয়ার আগে কোনো শহর বা স্টেশন অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে মন্তব্য করা অকালপক্ক। প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ হওয়ার পরেই পূর্ণাঙ্গ ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন পরিকল্পনা জনসমক্ষে প্রকাশ করা হবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Newzshort