ব্যুরো নিউজ, ২৩ জুন ২০২৬ : গুজরাটের শিক্ষাক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে 'শালার প্রবেশোৎসব' এবং 'কন্যা কেলাভানি রথযাত্রা'। তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী নেতৃত্বে এই উদ্যোগগুলি গত ২৩ বছর ধরে রাজ্যজুড়ে এক সামাজিক বিপ্লব ঘটিয়েছে।
২০০৩ সালে গুজরাটে স্কুলছুটের হার ছিল ৩৭ শতাংশের বেশি, যা শিক্ষাব্যবস্থার এক গুরুতর চ্যালেঞ্জ ছিল। মোদীজি এই শিক্ষাকে কেবল সরকারি কর্মসূচি না রেখে একটি গণআন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান জানান। এই কর্মসূচির মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে আধিকারিকরা গ্রামে গ্রামে গিয়ে অভিভাবকদের উৎসাহিত করেন এবং শিশুদের স্কুলে নিয়ে আসেন। এই অনন্য ঐতিহ্য ২৩ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্নভাবে চলছে, যা প্রতিটি শিশুর শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার প্রতি এক অবিচল প্রতিশ্রুতির প্রতিফলন।
বিশেষ করে কন্যা শিশুদের শিক্ষায় জোর দিতে ‘কন্যা কেলাভানি রথযাত্রা’ শুরু হয়, যা মেয়েদের স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করে এবং সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনে। বর্তমানে, এই ধারাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ‘নমো লক্ষ্মী যোজনা’র অধীনে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রীদের ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত আর্থিক সহায়তা এবং ‘নমো সরস্বতী বিজ্ঞান সাধনা যোজনা’র মাধ্যমে বিজ্ঞান শিক্ষার্থীদের ২৫,০০০ টাকা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। গুণগত মান উন্নয়নে ‘গুণোৎসব ২.০’ এবং প্রযুক্তিগত সহায়তায় ভারতের প্রথম এআই-চালিত ‘বিদ্যা সমীক্ষা কেন্দ্র’র মতো পদক্ষেপগুলি শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করেছে।
এই উদ্যোগগুলি গুজরাটের লক্ষ লক্ষ শিশুর ভবিষ্যৎ গড়ে তুলেছে এবং সমাজের সামগ্রিক পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে, যা এক উন্নত ভারতের স্বপ্ন পূরণের পথে এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

