কলকাতা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন এবং হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের আসন বৃদ্ধির পর এবার আসন বাড়তে চলেছে শিলিগুড়ি এবং দুর্গাপুর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে। সোমবার ৩১ আগস্ট এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের নগরোন্নয়ন দপ্তর।
সরকারি ওই নির্দেশিকা (No. 1690/UDMA-15011(22)57/2026-LS-MA SEC) অনুসারে দুর্গাপুর মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের আসন সংখ্যা বেড়ে হতে চলেছে ৫৩।
যা আগে ছিল ৪৩। একইভাবে শিলিগুড়ি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের আসন সংখ্যা ৪৭ থেকে বেড়ে হতে চলেছে ৬৩।
সরকারি ওই বিবৃতি পাঠানো হয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, দার্জিলিং এবং পশ্চিম বর্ধমানের জেলা শাসক, দুর্গাপুর ও শিলিগুড়ি পুর নিগমের কমিশনার সহ অন্যান্য সরকারি আধিকারিকদের।
এর আগে হাওড়া এবং কলকাতা পুর নিগমেও বাড়ানো হয়েছে আসন সংখ্যা। কলকাতা পুর কর্পোরেশনে ১৪৪ থেকে বেড়ে ওয়ার্ড সংখ্যা হয়েছে ২০৯ এবং হাওড়া পুর কর্পোরেশনে ওয়ার্ড সংখ্যা ৫০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৬৮।
শিলিগুড়ি ও দুর্গাপুরে আসন বৃদ্ধির সরকারি নির্দেশিকা২০২২ সালের শিলিগুড়ি পুর নিগমের শেষ নির্বাচনে তৃণমূল জয়ী হয়েছিল ৩৭ আসনে, সিপিআইএম জয়ী হয় ৪ আসনে, বিজেপি জয়ী হয় ৫ আসনে এবং ১টি আসনে জয়ী হয় কংগ্রেস।
২০১৭ সালে শেষবার নির্বাচন হয়েছিল দুর্গাপুর পুর নিগমে। এরপর এখানে আর কোনও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়নি। যা আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হবে। ওই নির্বাচনে ৪৩ আসনের সবকটিতেই জয়ী হয় তৃণমূল। যে নির্বাচন নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট লুঠ ও সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল। পরবর্তী সময়ে যা নিয়ে শাসক দলের অন্দরেই বেঁধেছিল বিতর্ক।
২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে দুর্গাপুরের সৃজনী হলে তৃণমূলের শ্রমিক শাখার এক কর্মী সম্মেলনে চার নম্বর বরো চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ''আমরা ৪৩ জন কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছি।... সবাইকে জিতিয়ে দিয়ে এই যে একক ভাবে ক্ষমতা দখলের যে স্পৃহা, এটা আমাদের ক্রমশ পিছনের দিকে (ব্যাকফুটে) ঠেলে দিয়েছে।'' তিনি আরও বলেছিলেন, যদি অন্তত ১০ জন বিরোধী কাউন্সিলর নির্বাচিত হতেন, আমরা সেক্ষেত্রে চোখে আঙুল দিয়ে দেখাতে পারতাম, শাসক দলের জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমরা যে কাজ করতে পারছি, ওঁরা সেটা পারছেন না।
Kolkata: কলকাতা পুরসভায় বাড়বে আরও ৫৬টি ওয়ার্ড, ভোটার সংখ্যায় সামঞ্জস্য আনতে ওয়ার্ডের পুনর্বিন্যাসMunicipal Election: বালি ও হাওড়া পুরসভা - সংযুক্তি নাকি বিচ্ছেদ - পুরভোটের আগেই শুরু বিতর্ক
