Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
আবারও কি CJP-র চাপে নরম সরকার? ৫ সেপ্টেম্বরের দিল্লি মার্চ ঠেকাতে জোর তৎপরতা, বাড়ছে আলোচনা

আবারও কি CJP-র চাপে নরম সরকার? ৫ সেপ্টেম্বরের দিল্লি মার্চ ঠেকাতে জোর তৎপরতা, বাড়ছে আলোচনা

press CARD NEWS 1 week ago
CJP-কে ঘিরে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা: আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে CJP-র প্রস্তাবিত বড় মিছিলকে ঘিরে কেন্দ্রীয় সরকার ও দিল্লি পুলিশের তৎপরতা বেড়েছে। BRICS শীর্ষ সম্মেলনের কাছাকাছি সময়ে এই কর্মসূচি হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনের উদ্বেগও বাড়ছে। এর মধ্যেই আন্দোলনকারীদের সঙ্গে মামলা প্রত্যাহার ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে সরকারের আলোচনা জোরদার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।

দিল্লির যন্তর মন্তরে দীর্ঘদিনের আন্দোলনের পর এবার ইন্ডিয়া গেট থেকে পুলিশ সদর দফতর পর্যন্ত বড় মিছিলের ডাক দিয়েছে CJP। সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ৫ সেপ্টেম্বর এই কর্মসূচি হওয়ার কথা।

আন্তর্জাতিক স্তরের গুরুত্বপূর্ণ BRICS সম্মেলনের সময় দিল্লিতে কোনও ধরনের অশান্তি বা বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হোক, তা সরকার চাইছে না। রাশিয়া ও চিন-সহ একাধিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ পুলিশ-সরকার

একদিকে দিল্লি পুলিশ ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক CJP-র অন্যতম দাবিকে ঘিরে আইনি প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বলে জানা গেছে। অন্যদিকে ক্ষতিপূরণ নিয়েও আলোচনা এগোচ্ছে বলে দাবি সংগঠনের।

CJP-র সহ-সমন্বয়কারী সৌরভ দাস সোমবার রাতে একটি বিবৃতিতে সরকারের সাম্প্রতিক অবস্থানের প্রশংসা করেন। তাঁর দাবি, তিনি পুদুচেরিতে নিজের শহরে চলে যাওয়ার পরও কেন্দ্রের তৈরি উচ্চপর্যায়ের কমিটির প্রতিনিধিরা সেখানে গিয়ে তাঁর সঙ্গে বৈঠক করেন।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, সেখানে তিন দফা বৈঠক হয়েছে। আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা প্রত্যাহার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার বিষয় নিয়ে একটি সমঝোতা নথির খসড়াও তৈরি হয়েছে।

মামলা প্রত্যাহার ও ক্ষতিপূরণ নিয়ে টানাপোড়েন

প্রতিবেদন অনুযায়ী, NEET-PG বিতর্কের পর যন্তর মন্তরে আন্দোলনের সময় দায়ের হওয়া পুলিশি মামলা প্রত্যাহার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে পরিবারপিছু এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিল CJP।

সরকার প্রথম থেকেই নীতিগতভাবে এই দাবিগুলির বিষয়ে সম্মতি জানিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়া ও আনুষ্ঠানিকতার কারণে বিষয়টি এতদিন আটকে ছিল।

এখন BRICS সম্মেলনের প্রস্তুতির মধ্যেই সেই জট দ্রুত কাটানোর চেষ্টা চলছে বলে মনে করা হচ্ছে। মামলাগুলির দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়াকেও সেই তৎপরতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

৫ সেপ্টেম্বরের মিছিল কি শেষ পর্যন্ত হবে?

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখন একটাই—৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিল কি শেষ পর্যন্ত বাতিল হবে?

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, CJP ফের প্রশাসনের উপর চাপ তৈরি করতে সফল হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্মেলনের কারণে তৈরি হওয়া সময়ের চাপও সরকারের দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অন্যতম কারণ হতে পারে।

প্রতিবেদনে আশা প্রকাশ করা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের মাধ্যমে মামলা প্রত্যাহারের পথ পরিষ্কার হলে সরকার ক্ষতিপূরণ নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করতে পারে। এর বিনিময়ে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রতিবাদ কর্মসূচি প্রত্যাহারের জন্য CJP-র কাছে আবেদন জানানো হতে পারে।

তবে ৫ সেপ্টেম্বরের মিছিল সত্যিই প্রত্যাহার করা হবে কি না, কিংবা সরকার ও CJP-র মধ্যে শেষ পর্যন্ত কী সমঝোতা হয়—তা এখনও স্পষ্ট নয়।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Presscard News