তিনি বলেন, "আমরা কোনও এনজিও নই। 'বিজেপিকে ভোট নয়' প্রচার চালালেই আমাদের রাজনৈতিক দায়িত্ব থেকে মুক্তি মেলে না। মানুষ বলবে, 'বিজেপিকে ভোট না দিলে কাকে ভোট দেব?' আমরা বাংলায় স্বচ্ছ রাজনীতি এনেছি। রাজনীতি, যা উন্নয়নের কথা বলে।"
কানহাইয়া কুমার বলেন যে, '২০ বছর পর কংগ্রেস এখানে একা লড়ছে। আমরা আশা করি, জনগণের আশীর্বাদে আমরা এখানকার ঘৃণা ও লুটের রাজনীতি বন্ধ করতে পারব।'
এরপর তাঁর মন্তব্য, "কংগ্রেসকে ছাড়া দেশে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই কি সম্ভব? বাংলার অবস্থা খুবই খারাপ। দেশের আর কোথাও এত নাম বাদ দেওয়া হয়নি। কলকাতার চৌরঙ্গী বিধানসভা কেন্দ্র থেকে ৮০,০০০ নাম মুছে ফেলা হয়েছে।"
কানহাইয়া কুমার এসআইআর-এর ভয়াবহ পরিণতি এবং কলকাতার আর্থ-সামাজিক অবস্থার বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি অন্যান্য রাজ্যে বাঙালি অভিবাসীদের হয়রানির বিষয়টিও তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, "এখন আর কেউ কলকাতায় কাজ করতে আসে না। উল্টো কলকাতার মানুষদের কাজ করতে অন্য রাজ্যে যেতে বাধ্য করা হচ্ছে আর সেখানে বিজেপি সরকার বাংলাভাষী মানুষদের অনুপ্রবেশকারী বলে হয়রানি করছে এবং জেলে পুরছে।"
কানহাইয়া কুমার দাবী করেন যে, 'প্রচেষ্টা সত্ত্বেও বিজেপি বাংলায় পদ্ম ফোটাতে পারবে না। তিনি বিজেপির ওপর আক্রমণ আরও তীব্র করে বলেন, "বিজেপি যেকোনও মূল্যে বাংলা, তামিলনাড়ু ও পাঞ্জাব জিততে চায়। কিন্তু বাঙালিদের রাজনৈতিক বোধের ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। তাঁরা এখানে বিজেপিকে থামিয়ে দেবেন এবং আমরা আশা করি তাঁরা কংগ্রেসকে সমর্থন করবেন।"

