লালকেল্লার এই অনুষ্ঠানে দেশের অনেক বিশিষ্ট নেতা উপস্থিত ছিলেন। এঁদের মধ্যে ছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধান বিচারপতি (সিজেআই) সূর্যকান্ত, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) অজিত ডোভাল এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পিকে মিশ্র ও শক্তিকান্ত দাসের মতো ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরা।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী বলেছেন, "রাহুল গান্ধী ও খাড়গের উচিৎ স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসকে দলীয় রাজনীতির ঊর্ধ্বে রাখা। প্রধানমন্ত্রী যখন ভাষণ দেন, তখন তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁরা বছরের পর বছর ধরে এটি বয়কট করে আসছেন। এটা হচ্ছে রাহুল গান্ধীর অপরিপক্কতার কারণে। এটা হচ্ছে রাহুলের ঔদ্ধত্যের কারণে। এটা হচ্ছে ভুয়া গান্ধী পরিবারের ঔদ্ধত্যের কারণে। বিরোধীদের আসা উচিৎ; তারাই এই অন্যায় প্রথাকে টিকিয়ে রাখছে।"
বিজেপি মুখপাত্র প্রদীপ ভান্ডারি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ প্রশ্ন তুলেছেন, 'জনগণের প্রতিনিধিত্বকারী কোনও সত্যিকারের দেশপ্রেমিক নেতা কি এমনটা করতে পারেন?' ভান্ডারি অভিযোগ করেন যে, এই অনুষ্ঠান থেকে রাহুল গান্ধীর দূরত্ব 'বন্দে মাতরম'-এর প্রতি তাঁর অপছন্দকেই প্রতিফলিত করে। তিনি বলেন যে, রাহুল গান্ধী বিরোধীদলীয় নেতার পদের যোগ্য নন এবং তাঁর চিন্তাভাবনা একটি বিভাজনমূলক মতাদর্শের অনুরূপ।

