ভোট শুরু হওয়ার কয়েকদিন আগে থেকেই এই গান নিয়ে রাজ্য-রাজনীতি তোলপাড়। তবে এই গান কে বানাল, কোথা থেকেই বা এটার উৎপত্তি হল, সেই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। গানটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিপুলভাবে ছড়িয়ে পড়তেই ভাঙড়ের আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দীকি দলীয় কর্মীদের কাছে এই গান না চালানোর জন্য অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা!
আর এই চটুল গানেই এখন চারদিক মত্ত। ফেসবুক, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম খুললেই এই গান বেজে উঠছে, সঙ্গে তুমুল নাচ। আর এবারে এই বিতর্কিত গান নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা বললেন শওকত মোল্লা। এই গান ভাইরাল করার পিছনে তৃণমূলের একাংশ এবং আইএসএফকেই দায়ী করেন তিনি। শওকত বলেন, 'রাজনৈতিক লড়াই রাজনৈতিক ময়দানে হওয়া উচিৎ। ব্যক্তিগত কুৎসা রটিয়ে রাজনৈতিকভাবে জয়ী হওয়া যায় না। আমি তীব্র প্রতিবাদ জানাই। বিষয়টি নিয়ে খুব শীঘ্রই আইনের দ্বারস্থ হব।' আসল কথা হল শওকত কিন্তু মনে করেন তৃণমূলের একাংশ এই কাজ করেছে।
উল্লেখ্য, ভাঙড়ের তৃণমূল কংগ্রেসের বিতর্কিত নেতা কাইজার আহমেদ একটি টিভি চ্যানেলের সাক্ষাৎকারে শওকত মোল্লাকে 'মাছ চোর' বলে উল্লেখ করেছিলেন। আর এবারে ভোটপ্রচারের একেবারে শেষলগ্ন থেকে 'শওকত তো মাছ চোর' গানটি ব্যাপক ভাবে ভাইরাল হয়েয়ে। আর এমনভাবে ভাইরাল হয়েছে, তাতে শওকত মোল্লার যে মানহানি হয়েছে, তাতে করে কোনও সন্দেহ নেই। এই জল এখন কোন দিকে গড়ায়, আপাতত সেটাই দেখার।

