সম্প্রতি সংসদীয় কমিটির বৈঠকে মেটা, গুগল, ইউটিউব, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এবং ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রকের (MeitY) প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদির ভিডিও কেন সরানো হয়েছিল, কে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং এর দায়িত্ব কে নেবে—এসব প্রশ্নের মুখে পড়েন মেটার প্রতিনিধিরা।
মেটা জানায়, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে ভিডিওটি প্রায় পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাটফর্মে দেখা যায়নি। তবে সরকারের মতে, এই ব্যাখ্যা সন্তোষজনক নয়। সংসদীয় কমিটির সদস্যদের বক্তব্য, শুধু দুঃখপ্রকাশ করলেই হবে না, ঘটনার জন্য কারা দায়ী তা নির্ধারণ করতে হবে এবং প্রয়োজন হলে আইনি ব্যবস্থাও নিতে হবে।
নিশিকান্ত দুবে বলেন, যদি প্রধানমন্ত্রীর ভিডিওও সহজে সরিয়ে ফেলা যায়, তাহলে সাধারণ মানুষের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট কতটা নিরাপদ, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদম নতুন কিছু গোষ্ঠী বা সংগঠনকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে, অথচ দেশের বড় রাজনৈতিক দলগুলোর কনটেন্ট তুলনামূলকভাবে কম মানুষের কাছে পৌঁছাচ্ছে।
এদিকে, কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই মেটার গ্লোবাল টিমকে তলব করেছে। অ্যালগরিদমের কাজের পদ্ধতি, পক্ষপাতের অভিযোগ এবং জনশৃঙ্খলার উপর এর প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা চেয়েছে ইলেকট্রনিক্স ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক।
এছাড়া, হায়দরাবাদ সাইবার ক্রাইম পুলিশ মেটা ইন্ডিয়ার প্রধান অরুণ শ্রীনিবাস এবং ফেসবুক-ইনস্টাগ্রামের কয়েকটি অ্যাকাউন্টের বিরুদ্ধে প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষ্য করে ভুয়ো ও AI-নির্মিত পোস্ট ছড়ানোর অভিযোগে মামলা দায়ের করেছে।

