প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, উর্জা নিরাপত্তা (এনার্জি সিক্যুরিটি) এখন সময়ের দাবী।
এনার্জি ছাড়া নতুন বিশ্বে পথ চলা কঠিন হয়ে পড়েছে। আমাদের বিপুল পরিমাণ জ্বালানি প্রয়োজন। আমরা ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াট পারমাণবিক শক্তির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি।
প্রধানমন্ত্রী মোদী লালকেল্লার প্রাচীরে ১৩তম বারের মতো জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এরপর ২১ তোপধ্বনি করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, পেট্রোল, ডিজেল এবং সার—সবকিছুকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তেল ও গ্যাসের নামে মানুষকে ভয় দেখানো হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, 'গত ১২ বছরে আমরা বহু সংকটের মুখোমুখি হয়েছি। করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে সমস্ত ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। ইউক্রেন থেকে পশ্চিম এশিয়া পর্যন্ত... সর্বত্রই উত্তেজনার আবহ। বিশ্বজুড়ে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ উল্লাস করছিল। কিন্তু দেশ দেখেছে যে, ভারতের করা প্রস্তুতি সংকটের সময়ে কাজে লেগেছে। আমরা আমাদের শক্তির ওপর ভর করে এগিয়ে চলেছি।'
প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেছেন, "আমাদের জন্য সংস্কারই আমাদের বিশ্বাস। আগামী দিনে আমরা পরবর্তী স্তরের সংস্কার করতে যাচ্ছি। আমাদের চিন্তাভাবনার সংস্কার করতে হবে। একটি উন্নত ভারত গড়তে আমাদের একটি নতুন ধারার প্রয়োজন। আজ আমি শক্তির সাতটি ধারাকে আহ্বান করছি। দেশ গড়ার ক্ষেত্রে দেশের যুবশক্তি অবশ্যই অনেক উঁচুতে উড়বে।"
প্রসঙ্গত, শুক্রবারেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, তিনি শীঘ্রই হরমুজকে মার্কিন ভূখণ্ড হিসেবে ঘোষণা করবেন। ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই হরমুজকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে। এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বেড়েছে এবং তেলের ঘাটতি দেখা দিয়েছে।

