তিনি আরও বলেন, "ইরানের কোনও পারমাণবিক অস্ত্র থাকবে না, কারণ যদি থাকত, তাহলে আপনারা সম্ভবত এখানে আর বেশিদিন দাঁড়াতে পারতেন না।" এরপর ট্রাম্প সতর্ক করে দেন যে, পিক্যাক্স মাউন্টেনে কোনও ধরনের কার্যকলাপ দেখা গেলে যুক্তরাষ্ট্র সেটিকে নিশানা বানাতে পারে। ট্রাম্প বলেন, "আমরা খুব শীঘ্রই পিক্যাক্সে হামলা চালাতে পারি।"
ট্রাম্প আরও জানান যে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ওই স্থানের কার্যকলাপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। তিনি বলেন, "আমরা জানি কারা পিক্যাক্সে যাতায়াত করছে।" তিনি বলেন, "ইরান জুড়ে পিক্যাক্স পর্বতে কারা যাতায়াত করছে তা আমরা জানি। যদি কোনও খারাপ কিছু ঘটে, আমরা তাদের ওপর হামলা করি।"
ট্রাম্প আরও যুক্তি দেন যে, মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপ এই অঞ্চলে একটি বড় সংঘাত প্রতিরোধ করেছে। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি পদক্ষেপ না করত, তাহলে ইজরায়েল এবং সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য হয়তো আরও গুরুতর হুমকির সম্মুখীন হতো। ট্রাম্প বলেন, "আমরা যদি সেখানে না যেতাম, তাহলে আজ ইজরায়েল থাকত না, মধ্যপ্রাচ্যও থাকত না এবং এরপর তারা সম্ভবত ইউরোপীয় শহর ও আমাদের শহরগুলোতে হামলা করত। কিন্তু আমরা পাঁচ মাসের মধ্যে তাদের পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করা থেকে বিরত রেখেছি।"
উল্লেখ্য, পিক্যাক্স পর্বতটি ইরানের মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত নাতাঞ্জ ইউরেনিয়াম-সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রের কাছে অবস্থিত। বলা হয়, এটি দুটি ভূগর্ভস্থ টানেল ব্যবস্থা সহ একটি অত্যন্ত সুরক্ষিত ভূগর্ভস্থ কমপ্লেক্স। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল পূর্বে রিপোর্ট করেছিল, ইজরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বিশ্বাস করে, ইরান হাজার হাজার সেন্ট্রিফিউজ এই ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় স্থানান্তর করেছে। ভূগর্ভে অবস্থিত হওয়ায়, এই স্থানটি প্রচলিত বিমান হামলা থেকে অনেকাংশে সুরক্ষিত বলে মনে করা হয়। সুতরাং, যুক্তরাষ্ট্র যদি এতে হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে তা ইরানের পারমাণবিক অবকাঠামোর বিরুদ্ধে চলমান অভিযানে একটি বড় ধরণের উত্তেজনা বৃদ্ধির মতো পদক্ষেপ হবে।

