Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
"সন্দীপন বদসঙ্গে পড়েছেন!" কুণাল ঘোষের পারিবারিক খোঁচা ঘিরে বিতর্ক, সই জালিয়াতির মূল তদন্ত ঘোরানোর চেষ্টা? প্রশ্ন ওয়াকিবহাল মহলের!

"সন্দীপন বদসঙ্গে পড়েছেন!" কুণাল ঘোষের পারিবারিক খোঁচা ঘিরে বিতর্ক, সই জালিয়াতির মূল তদন্ত ঘোরানোর চেষ্টা? প্রশ্ন ওয়াকিবহাল মহলের!

প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিধানসভায় সই জালিয়াতির মতো একটি গুরুতর অভিযোগকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে কাদা ছোঁড়াছুঁড়ি এবার ব্যক্তিগত স্তরে পৌঁছাল। এন্টালির বহিষ্কৃত বিধায়ক সন্দীপন সাহা তথাকথিত সই জালিয়াতির বিরুদ্ধে সরব হতেই তাঁর পারিবারিক নৈতিকতা ও 'বদসঙ্গ' নিয়ে তীব্র রাজনৈতিক কটাক্ষ শানিয়েছেন তৃণমূলের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

তবে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এই ধরণের ব্যক্তিগত আক্রমণ আসলে মূল আইনি অভিযোগ থেকে সাধারণ মানুষের নজর ঘোরানোর একটি মরিয়া চেষ্টা মাত্র।

বিধানসভার অন্দরে দলের তথাকথিত প্রক্সি সই ও জালিয়াতি কাণ্ড নিয়ে স্পিকারের দ্বারস্থ হওয়ার জেরে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে সদ্য বহিষ্কৃত হয়েছেন বিধায়ক সন্দীপন সাহা। তাঁকে নিশানা করে কুণাল ঘোষ সংবাদমাধ্যমের সামনে দাবি করেন, "সন্দীপন ভুল রাজনৈতিক পরামর্শ ও বদসঙ্গে পড়ে এই বিপজ্জনক পথে হেঁটেছেন।" এখানেই ক্ষান্ত না হয়ে তিনি সন্দীপনের পারিবারিক ঐতিহ্যকে টেনে এনে নৈতিকতার প্রশ্ন তুলে খোঁচা দেন যে, যখন তাঁর পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারকে গুরুত্ব দিয়ে টিকিট দেওয়া হয়েছিল, তখন তাঁর নৈতিকতার প্রশ্ন কোথায় ছিল? কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বিধানসভার মতো পবিত্র জায়গায় জনপ্রতিনিধিদের সই জাল করার যে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে, তা একটি আইনি ও ফৌজদারি অপরাধের এক্তিয়ারভুক্ত। এই আইনি বিতর্কের কোনো স্পষ্ট বা সন্তোষজনক উত্তর না দিয়ে, উল্টে যিনি অভিযোগ তুললেন তাঁর পরিবার নিয়ে রাজনৈতিক আক্রমণ করা কতটা যুক্তিযুক্ত, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন আইনজ্ঞদের একাংশ।

ওয়াকিবহাল মহলের স্পষ্ট প্রশ্ন-এই ধরণের বিবৃতির মাধ্যমে কি মূল ঘটনার আইনি তদন্তের অভিমুখকে লঘু করার চেষ্টা হচ্ছে? রাজনৈতিক মহলের দাবি, প্রবীণ নেতা স্বর্ণকমল সাহার ছেলে সন্দীপন সাহা ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা এক সুপরিচিত মুখ। সন্দীপন শিবিরের ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, কোনো 'বদসঙ্গে' পড়ে নয়, বরং বিধানসভার অভ্যন্তরে স্বচ্ছতা বজায় রাখতেই তিনি স্পিকারের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। একজন যুব বিধায়কের এই অবস্থানকে কুণাল ঘোষ যতই 'বালকসুলভ' বা 'ভুল পরামর্শে চালিত' বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন না কেন, এই সই বিতর্ক যে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত স্পর্শকাতর মোড় নিয়েছে, তা স্পষ্ট।

সমগ্র বিষয়টি বর্তমানে আইনি এবং প্রশাসনিক পর্যালোচনার অধীনে রয়েছে। সই জালের এই গুরুতর অভিযোগের সত্যতা শেষ পর্যন্ত আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই প্রমাণিত হবে। তবে সত্য ধামাচাপা দিতে কুণাল ঘোষরা যে রাজনৈতিক ভাষা ও ব্যক্তিগত আক্রমণের আশ্রয় নিচ্ছেন, তা রাজনৈতিকভাবে কতটা গ্রহণযোগ্য, সেই বিচার শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষের আদালতেই হবে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Priyobandhu Bangla