ভবানীপুরে , মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শুভেন্দু অধিকারী । আর এই কেন্দ্র নিয়ে একেবারে আত্মবিশ্বাসী বিরোধী দলনেতা । শুভেন্দু অধিকারীর বিশ্বাস , গণনার প্রথম আর দ্বিতীয় রাউন্ডেই তিনি লিড পেয়ে যাবেন । তৃতীয় থেকে পঞ্চম রাউন্ডে লিড পাবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।
কিন্তু ফের ষষ্ঠ-সপ্তম রাউন্ড থেকে বিজেপি জিততে শুরু করবে বলে আশাবাদী শুভেন্দু।
শুভেন্দু অধিকারীর সাফ কথা , "ভবানীপুরের ডিটেল বলে দিচ্ছি। প্রথম-রাউন্ড দ্বিতীয় রাউন্ডে আমার লিড থাকবে। থার্ড-ফোর্থ-ফিপথ রাউন্ডে মুসলমান বুথ মানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লিড থাকবে। ষষ্ঠ-সপ্তম রাউন্ড থেকে আমি মেকআপ করতে শুরু করব। কুড়ি রাউন্ডে আমি জিতব।"
উল্লেখ্য, আগের বার নন্দীগ্রাম ছিল কেন্দ্রবিন্দুতে, আর এ বারের নির্বাচনে হটস্পট হয়ে উঠেছে ভবানীপুর। ভোট শুরুর আগেই সেখানে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে বাগযুদ্ধ শুরু হয়েছিল। কখনও পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগ, কখনও আবার স্লোগান পাল্টা স্লোগানে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভোটের দিন সেই উত্তাপ আরও বাড়ে, কারণ প্রায় সামনাসামনি অবস্থান নেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী ও তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এতে পরিস্থিতি আরও তপ্ত হয়ে ওঠে।
বিকেল পর্যন্ত মাঠে শুভেন্দু অধিকারীকে দেখা গেলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা যায়নি। এরপরই শুরু হয় স্ট্রংরুম ঘিরে বিতর্ক। বৃহস্পতিবার রাতে স্ট্রংরুমে ভোটে কারচুপির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানান মমতা। কড়া সুরে তিনি সতর্ক করে বলেন, "কেউ যদি ইভিএম ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে, তাহলে জীবন-মরণ লড়াই হবে।" অন্যদিকে, তীব্র কটাক্ষ ছুঁড়ে শুভেন্দু বলেন, তিনি নাকি আগেই পরিকল্পনা করে সাধারণ পোশাক পরে এখানে এসেছিলেন এবং এখানেই অবস্থান করছিলেন। তাঁর মতে, ধর্নায় বসা মমতার পুরনো অভ্যাস।

