Dailyhunt Logo
  • Light mode
    Follow system
    Dark mode
    • Play Story
    • App Story
জগন্নাথের পায়ের ফুল উধাও, পোশাকেও ছেদ! পুরীর মন্দিরে 'ভিলেন' আসলে কারা?

জগন্নাথের পায়ের ফুল উধাও, পোশাকেও ছেদ! পুরীর মন্দিরে 'ভিলেন' আসলে কারা?

গন্নাথদেবের পায়ে সাজানো ফুল কিছুক্ষণ পরেই উধাও! শুধু তাই নয়, বিগ্রহের পোশাকেও দেখা যাচ্ছে ছেঁড়ার দাগ। প্রথমে রহস্য তৈরি হলেও পরে সামনে এল আসল 'দোষী'। কোনও মানুষ নয়, পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে নতুন করে সমস্যা তৈরি করেছে ইঁদুর আর আরশোলার উপদ্রব।

দ্বাদশ শতাব্দীর ঐতিহাসিক এই মন্দিরে ইঁদুরের উৎপাত নতুন নয়।

সম্প্রতি ফের তাদের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন সেবায়েতরা। ফুল থেকে শুরু করে বিগ্রহের পোশাক-কিছুই রেহাই পাচ্ছে না। গর্ভগৃহের বিভিন্ন জায়গায় ঢুকে পড়ছে ইঁদুর ও আরশোলা।

তবে সমস্যা মোকাবিলার পথও সহজ নয়। কারণ মন্দিরের রীতি অনুযায়ী, চত্বরের ভিতরে কোনও প্রাণী বা কীটপতঙ্গকে হত্যা করা যায় না। ফলে বিষ বা রাসায়নিক ব্যবহার করে ইঁদুর-আরশোলা নিধনের পথ বেছে নেওয়া হচ্ছে না।

তার বদলে শুরু হয়েছে 'জীবন্ত ধরে মুক্তি' দেওয়ার ব্যবস্থা। ইঁদুর ধরতে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশেষ ফাঁদ। ধরা পড়ার পর সেগুলিকে মন্দিরের বাইরে নিয়ে গিয়ে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আরশোলা ধরার জন্য গর্ভগৃহে রাখা হচ্ছে মাটির পাত্র। তাতে গুড় ও আঠালো পদার্থ ব্যবহার করা হচ্ছে, যাতে আরশোলা আটকে যায়। পরে সেগুলিকেও বাইরে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

ইঁদুর ও আরশোলা যে সমস্ত ফাঁকফোকর দিয়ে গর্ভগৃহে ঢুকছে, সেগুলিও চিহ্নিত করে বন্ধ করার কাজ চলছে। এ ক্ষেত্রে এএসআই-এর পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।

মন্দির কর্তৃপক্ষের দাবি, করোনা পর্বে ভক্ত সমাগম কমে যাওয়ার সময়ও ইঁদুরের উপদ্রব বেড়েছিল। এবার ফের একই সমস্যা দেখা দেওয়ায় সেই পুরনো পদ্ধতিকেই কাজে লাগানো হচ্ছে।

জগন্নাথ সংস্কৃতি গবেষকদের মতে, মন্দিরের 'রেকর্ড অফ রাইটস'-এও প্রাণী হত্যা নিষিদ্ধ করার কথা রয়েছে। তাই শতাব্দীপ্রাচীন ঐতিহ্য মেনেই 'মার নয়, ধরে বাইরে ছাড়ো'-এই পথেই জগন্নাথ মন্দিরে ইঁদুর-আরশোলার মোকাবিলা চলছে।

Dailyhunt
Disclaimer: This content has not been generated, created or edited by Dailyhunt. Publisher: Samay 365 Din